1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

রুহিয়ায় গণশৌচাগার ভোগান্তি সাধারণ মানুষের

আলাল হোসেন আকাশ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৯৪ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা রুহিয়া  থানায় নেই পাবলিক টয়লেট, বেশি বিপাকে পড়েছে নারীরা এবং নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় জনসাধারণকে। নবগঠিত রুহিয়া  থানা বাস্তবায়ন হওয়ায় দিন দিন শিল্পাঞ্চলের ব্যাপ্তি ঘটায় এখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা,গ্রাম থেকে কাজের সন্ধানে ও ব্যবসায়ীক কাজে আসছে মানুষ এবং আশেপাশের বড় বাজার হওয়ায় গ্রামঅঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনে ছুটে আসে ঐতিহ্যবাহী রুহিয়া বাজারে।

কিন্তু চরম ব্যস্ত এ এলাকায় নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক গণশৌচাগার। ফলে প্রায়ই বিড়ম্বনায় পড়তে হয় ব্যবসায়ী,ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মমুখী  পথ চলতি মানুষকে। এতে পুরুষেরা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে বা বিভিন্ন খোলা জায়গায় মূত্রত্যাগ করেন। অনেক জায়গায় মলত্যাগ করে ছিন্নমূলেরা। ফলে বাড়ছে পরিবেশদূষণ, সেই সঙ্গে বাড়ছে জনভোগান্তিও।

সরজমিনে দেখা যায়, রুহিয়া চৌরাস্তা মোড়ে পাকা রস্তার পাশে ফাকা জায়গা  থাকলেও প্রভাবশালীদের দখলে দোকান ঘড় উতলন করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।সংলগ্ন একটি ব্যস্তময় বাজার। এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন কর্মজীবি মানুষ ও ক্রেতারা। বাজারে টয়লেট বলতে  মন্তাজ হোটল, রুহিয়া কেন্দ্রীয় মসজিদ। সেখানে গেলে সিরিয়াল নিয়ে থাকতে হয়।সে বিষয়ে ১নং রুহিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  মনিরুল হক বাবু এর সাথে  কথা বললে তিনি বলেন বাজারে গণশৌচাগার জরুরী প্রায়োজন কিন্তু  নিদিষ্ট  জয়গার অভাবে গণশৌচাগার নির্মাণ করা যাচ্ছে  না।সাধারণ মানুষকে প্রায়ই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এ সময় অনেক পথচারী বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে  মলত্যাগ করতে। রুহিয়া  চৌরাস্তা ঔষধ  ব্যবসায়ী সুজন বলেন পাবলিক টয়লেট না থাকায় বাজারে আসা মানুষ রাস্তার পাশে মল-মূত্র ত্যাগ করে।

এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। দ্রুত সরকারিভাবে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা দরকার। রুহিয়া  বাজারে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেনাকেটা করতে আসা রাজাগাঁও ইউনিয়নের রবিউল ইসলাম বলেন, রুহিয়া একটি থানা বাজার এখানে কোনো পাবলিক টয়লেট না থাকায় আমাদের খুব দুর্ভোগে পড়তে হয়। আমরা পুরুষ মানুষ তো কোনো না কোনোভাবে সারতে পারি; কিন্তু মহিলা ও বাচ্চাদের সমস্যা পোহাতে হয়। পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট না থাকায় নারীদের ভোগান্তি অবর্ণনীয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com