৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (চুক্তিভিত্তিক)লাইনক্রুদের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কর্তৃক বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎতায়ন বোর্ড বিআরইবিকে কারণসহ কি ব্যবস্থা নিয়েছে তার জন্য আগামী ০২/০৪/২০২৪ ইং তারিখে প্রতিবেদনের দিন ধার্য্য করা হইলো।পল্লী বিদ্যুৎ বাংলাদেশের ৬১ টি জেলায় নিরলস ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।যারা এই সরবরাহের দায়িত্বে আছে তারা ৪৫০০ জন চুক্তিভিত্তিক হিসেবে নিয়োজিত ।তাদের মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব নিয়ে বিআরইবি কোন দায় নেয় না।তাদের দাবী আদায়ের জন্য গত আগস্ট ২০২৩ এ ঢাকার খিলখেত বিআরইবির সামনে কর্মবিরতি দিয়ে কর্মসূচী পালন করে।এক পর্যায়ে বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে লাইনক্রুদের ২০০ জন প্রতিনিধি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করে তাদের নিয়মিত করবে সময় লাগবে ৬ মাস তা লাইনক্ররা মেনে নিয়ে কর্মস্হলে ফিরে যায়।
লাইনক্রদের দাবী বাস্তবায়নে তাদের জন্য কোন প্রতিফলন হয় নি।যা হয়েছে তা নাটকীয় অংশবিশেষ লাইনক্রুদের দাবী।এক পর্যায়ে তারা বিআরইবির দপ্তারাদেশ প্রত্যাহার করে চিঠি দেয়।তাদের চিঠিতে উল্লেখ থাকে যে,সমগ্র দেশব্যাপী লাইনক্রুদের কর্মবিরতি সহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার দিক নির্দেশনা দেয়।সমিতির সর্বোচ্ছ পর্যায়ে এবং বিআরইবির জন্য বার বার চিঠি দেয় বলে জানায় লাইনক্ররা।তাদের বক্তব্যে জানা যায়,আগামীতে দেশব্যাপী এই লাইনক্রুরা কর্মবিরতি দিবে যদি তাদের দাবী মানা না হয়।এতে করে ভোক্তাপর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।এমতবস্হায় এই দায় বিআরইবিকে নিতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দেয় লাইনক্রুরা।ভবিষ্যৎ তে অন্ধকার বাংলাদেশ না দেখতে চাইলে এই লাইনক্রুদের নিয়মিত এখন সময়ে দাবী বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে লাইনক্রু অধিকার পরিষদ নামের একটি প্যাডে জানা যায়।