মাগুরার শালিখা উপজেলার ‘জুনারী খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) দারুল উলুম মহিলা দাখিল মাদরাসা’র সুপারের চরম অবহেলা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী সামিয়া খাতুনের জীবন এখন সংকটাপন্ন।
জানা গেছে, গত ৫ দিন আগে বিকেল ৩টার দিকে প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে ছাত্রী সামিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। অভিযোগ উঠেছে, তার অসুস্থতার খবর জানা সত্ত্বেও মাদরাসার কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নেননি।
আজ শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সামিয়াকে দেখতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা জুনারী গ্রামের মো. জসিম মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমি মাদরাসা থেকে প্রায় ৮-১০ কিলোমিটার দূরে বুনাগাতীতে ছিলাম। খবর পেয়ে দ্রুত মাদরাসায় এসে দেখি, অন্য শিক্ষার্থীরা আমার মেয়েকে হাত-পা ধরে ঝুলিয়ে বাইরে নিয়ে আসছে। তখন সে সম্পূর্ণ অজ্ঞান অবস্থায় ছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।”
সন্তানের এই অবস্থার জন্য তিনি মাদরাসা সুপারের চরম গাফিলতিকে দায়ী করে এর সুষ্ঠু বিচার এবং দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।




