1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় ৩ দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বগুড়া ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নির্বাচনে শফিক সভাপতি পল্লব সম্পাদক নির্বাচিত সোনাতলায় ১৪’শ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকে কৃষি প্রনোদনা সহায়তা আদমদীঘিতে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মসূচিরউদ্বোধন করলেন এমপি মহিত ভুল চিকিৎসার অভিযোগে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে হামলা, গ্রেপ্তার ২ চাঁদপুরের মান্দারীতে পপুলার কোচিং সেন্টারে এস এস সি ২০২৬ ব্যাচ বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান ফরিদপুরে ৪৩ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ ছয়জন গ্রেফতার মুক্তিযোদ্ধা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের সালথায় পরকীয়ার অভিযোগে এএসআইকে গণপিটুনি শ্মশানে নবজাতক শিশু

শ্মশানে নবজাতক শিশু

মোঃ কায়সার হামিদ শামীম 
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার চন্দ্রঘোনা থানাধীন বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে শ্মশানের পাশে পড়ে থাকা অবস্থায় সদ্য একটি নবজাতক কন্যা শিশু সন্তানকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের ছাগল খাইয়া নামক শশ্মানের পাশে পাওয়া গেছে রক্ত মাখা অবস্থায় এই নবজাতক শিশুটি। স্থানীয়  একজন মহিলা শ্মশানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটিকে দেখতে পান। পরে তিনি নিজেই নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গালহালিয়া ইউপি সদস্য শিমুল দে। তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুটি স্থানীয় বাসিন্দা প্রমোদ দে ও সন্ধা রাণীর কাছে রয়েছে। তারা শিশুটির পরিচর্যা দেখভাল করছে। তবে তিনি বলেন, ঘটনাটি আসলে দুঃখজনক। এইভাবে একটি নবজাতক শিশু শ্মশানের পাশে পড়েছিল। তার বিপদ হতে পারতো। তবে সৃষ্টিকর্তার কৃপায় নবজাতক শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মোঃ শাকের আহমেদ জানান, এখনো পর্যন্ত নবজাতক শিশুটির মা বাবার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। শিশুটি বর্তমানে যারা উদ্ধার করেছে তাদের হেফাজতে রয়েছে। বিষয়টি রাজস্থলী ইউএনও মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মা বাবার খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com