1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলামের হত্যাকারী বিক্রম ও বেবী খাতুন গ্রেফতার। শেখ জাবের আহমেদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসনে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও সুশাসনের ছোঁয়া সাইটেশন জালিয়াতি করে ‘উপ-উপাচার্য’ পদে পবিপ্রবির ড. হেমায়েত মেলান্দহে দানকৃত জমিতে নতুন রাস্তা নির্মাণ, এলাকাজুড়ে আনন্দ-উৎসব বাগেরহাটের মোংলায় সরকারি খাল দখল মাদক ও কৃষি জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চাইলেন এমপি মুশফিকুর রহমান লালমনিরহাট রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাণিজ্যের অভিযোগ। নওগাঁ সদর-৫ আসনের এমপির উপস্থিতিতে নওগাঁ থিয়েটারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল নওগাঁ কে. ডি. স্কুল প্রাঙ্গণে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের আগামী ২৫–৩১ মার্চ বইমেলা ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে ইসলামী যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ।

সোনাতলায় সাত মাসে ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরি

ওমর ফারুক খান বাইতুল
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার সোনাতলায় গত সাত মাসে ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে চুরি যাওয়া এলাকা ও আশপাশের এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রয়েছে আতঙ্কের মধ্যে। বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সোনাতলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সাইফুল আহম্মদ জানান, সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত জুলাই মাস থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বাণিজ্যিক, আবাসিক ও পানি সেচ কাজে ব্যবহৃত মোট ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরি করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ চোরেরা।এতে প্রায় ২৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সোনাতলা থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে।
চুরি ঘটনার সাথে জড়িতদের কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠালেও কিছু দিন পর সে জেলহাজত থেকে জামিনে ছাড়া পায়। ফলে চুরি থামছে না।বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রয়েছে আতঙ্কের মধ্যে।এতে  গ্রাহকরা মনে করেন বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরি ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে তাদের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত। ডিজিএম আরো জানান আবাসিকে ব্যবহৃত কারো ট্রান্সফর্মার প্রথম বারের মতো চুরি হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে ঐ গ্রাহককে ট্রান্সফর্মার বাবদ শতকরা ৫০ ভাগ টাকা বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিতে হবে। বাকি শতকরা ৫০ ভাগ টাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিজস্ব তহবিল থেকে (সরকরি অর্থ না থাকলে) প্রদান করে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিকের মালিককে নতুন একটি ট্রান্সফর্মার দেয়া হয়ে থাকে।
একই ব্যক্তির দ্বিতীয় বার চুরি হলে সে ক্ষেত্রে গ্রাহককে সমস্ত টাকা বিদ্যুৎ অফিসে পরিশোধ সাপেক্ষে নতুন ট্রান্সফর্মার পাবে। আর পানি সেচের মটর চালানোর জন্য মটরমালিককে ফ্রি ট্রান্সফর্মার প্রদান করে থাকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। ওই ট্রান্সফর্মার চুরি হলে সেক্ষেত্রে মোটর মালিককে বিদ্যুৎ অফিসে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান সাপেক্ষে নতুন ট্রান্সফর্মার কিনে নিতে হবে। এভাবে যতবার চুরি হবে ওই গ্রাহককে ততবার অফিস থেকে টাকার বিনিময়ে তা কিনতে হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com