রাজনীতিতে ফের অস্থিরতার ছায়া।এলাকায় শোক ও ক্ষোভ।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বিএনপি নেতা ও কলেজ শিক্ষক অধ্যাপক রেজাউল করিমকে (৫৩) কুপিয়ে ও গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সংবাদের গুরুত্বপূর্ণ লাইনঃ বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার কলম ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে।
”নিহত অধ্যাপক রেজাউল করিম নাটোর জেলা জিয়া পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সিংড়ার বিল হালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করে আসছিলেন। তিনি কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার রশিদ রিপনের চাচা বলেও জানা গেছে।
”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত পৌনে ১১টার দিকে কুমারপাড়া এলাকায় ধ্বস্তাধ্বস্তি ও চিৎকারের শব্দ শুনে তারা এগিয়ে যান। এ সময় রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় গলা কাটা অধ্যাপক রেজাউল করিমকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
”ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর জানান, হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সিংড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভার ডাক দেওয়া হয়েছে। নেতারা এ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
”অধ্যাপক রেজাউল করিমের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একজন শিক্ষক, সংগঠক ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তাঁর মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়—সমাজ ও রাজনীতির জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।