পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী ৯ই মার্চ আসন্ন উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (অটোরিক্সা) প্রতীক নিয়ে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছে এনামুল হক অপু।
ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এনামুল হক অপু কেশবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
এনামুল হক অপু একটি সুস্থ, সুন্দর, দূর্নীতি ও মাদক মুক্ত স্মার্ট কেশবপুর ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রার্থীতা করছেন।
বিগত ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ও এনামুল হক অপু চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন,তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলো নৌকা প্রতীকের সালেহ উদ্দিন পিকু। ২০২১ সালের নির্বাচনে সালেহ উদ্দিন পিকুর নৌকা ও এনামুল হক অপুর অটোরিক্সা প্রতিকের নির্বাচনে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হয়।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়,২০২১ সালের ২১জুন নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সালেহ উদ্দিন পিকু। তিনি কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর গত বছর ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুতে শূন্য পদে উপনির্বাচনের তফশিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন।
এবার উপনির্বাচনে এনামুল হক অপু প্রার্থী হওয়ায় দলের বড় একটি অংশ ইতিমধ্যে অপু কে সমর্থন দিয়েছেন। জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন অপু।এনামুল হক অপুর অনুসারীরা বলেন,
অপু আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে ইউপির ৮ নং ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা জানান,
এই উপ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মধ্যে এনামুল হক অপু ভালো অবস্থানে আছে,গত ২৩ ফেব্রুয়ারী ইউপির সিকদার বাজারের পথসভায় অপুর পক্ষে জনতার ঢল নামে এতে কেউ কেউ ঈর্ষান্বিত হয়ে অপু বিরোধী জোট তৈরি করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে,বিষয়টি এমন হয়ে উঠেছে যে অপু ঠেকাও।
এনামুল হক অপু বলেন,জনগণই আমার শক্তি। অবহেলিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির ভাগ্য উন্নয়ন, সরকারের বরাদ্ধ সুষম বন্টন, সামাজিক ও অবকাঠমোগত উন্নয়নসহ, দূর্নীতি ও মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রার্থীতা করছি। আশা করি জনগণ আমাকে তাদের সেবক হিসাবে নির্বাচিত করবেন।
তিনি আরও বলেন,
আমি শুধু নির্বাচনকে সামনে রেখে নয়, প্রতিনিয়ত মানুয়ের কল্যানে কাজ করে আসছি এবং এলাকার মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। আশা করছি আমার এলাকার ভোটারদের ভালোবাসায় ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আমি এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে পারবো।
তিনি বলেন,
উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছে, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দুর্নীতি, মাদক সহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবো। আমার এলাকার সকলের কাছে আমি দোয়া ও সমর্থন চাই।