রংপুর জেলার তারাগঞ্জ থানার আলোচিত জোড়াখুন মামলার অন্যতম আসামী মোঃ মেহেদী হাসান (৩০), পিতা– ইসাহাক আলী, গ্রাম– ফরিদাবাদ, থানা– তারাগঞ্জ, জেলা– রংপুর’কে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১৩ রংপুর ও র্যাব-১০ ঢাকার সমন্বিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে তাকে তারাগঞ্জ থানায় প্রেরণ করা হয়।
উল্লেখ্য ২০২৫ সালের ৯ আগস্ট রাতে রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার ৫নং সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট এলাকায় রুপলাল রবিদাস (৪০) ও তার ভাতিজি জামাই প্রদীপ লাল (৪৫)কে তাদের ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত ভ্যানসহ কিছু উচ্ছৃঙ্খল দুর্বৃত্ত সন্দেহজনকভাবে আটক করে। পরবর্তীতে লাঠিসোঁটা ও লোহার রড দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
তারাগঞ্জ থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুপলাল রবিদাসকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত প্রদীপ লালকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পরদিন ১০ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় তদন্তকালে ইতোমধ্যে ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অতি শীঘ্রই তদন্ত সম্পন্ন করে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে।