আমতলী পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের পাশেই একটি মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিদিন এই এলাকায় আদালতে আগত বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের ব্যাপক চলাচল থাকলেও ভবনটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির দেয়ালে বড় বড় ফাটল, বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং ইট বের হয়ে আছে। জানালা-দরজাবিহীন এই জীর্ণ ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটির পাশেই রয়েছে কয়েকটি চায়ের দোকান। প্রতিদিন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে বিচারপ্রার্থী হিসেবে আসা লোকজন, আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা এসব দোকানে বসে চা পান করেন। আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে এসব দোকানে মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু মাথার ওপর মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন দাঁড়িয়ে থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। ভবনের কোনো অংশ ভেঙে পড়লে চায়ের দোকানে বসে থাকা মানুষজন সরাসরি বিপদের মুখে পড়তে পারেন। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দোকান পরিচালনা ও জনসমাগম চলতে থাকায় জননিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভবনটির পাশ দিয়ে যাতায়াত করেন। হঠাৎ কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই ভবনটি মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকলেও অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কর্তৃপক্ষ ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আইনজীবী বলেন, “আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পাশেই এভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পড়ে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”