1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক যশোরের কেশবপুরের দাখিল মাদ্রাসার সুপার চূড়ান্ত বরখাস্ত ‘ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’ ৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার মাদক কারবারিদের ধরতে মাঠে নেমেছেন মন্ত্রী দুলু,আটক ৩ শনিবারের মধ্যে সব হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জামায়াত আমিরের সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর

হরিনাকুন্ডুর গ্রামে গ্রামে এখনো চলছে খাটি খেজুর গুড়ের উৎপাদন এবং সংরক্ষণ

মাকসুদুল হক, হরিনাকুন্ডু ঝিনাইদহ।
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

বুধবার ২৮ শে জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি বাংলা ক্যালেন্ডারে ১৪ ই মাঘ ১৪৩২ সন। সময়ের পরিক্রমায় সমাজের সর্বস্তরে মানুষের মাঝে যখন সমস্ত খাদ্য দ্রব্যে ভেজালের প্রবণতা প্রকট আকার ধারন করেছে সেখানে খাটি জিনিস খুব দুর্ল্ভ ।

বলা হয়ে থাকে কলা আর পান ঝিনেদার প্রাণ, তবে খাটি খেজুর গুড়ের কদর কম কিসে। আর সেটা যদি কৃষকের সদিচ্ছা আর কসরতের ফসল হয় তবে প্রশংসনীয় তো বটেই ।  আগের দিন দুপুর থেকেই চলে খেজুর গাছে উঠে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রস সংগ্রহের কাজ । ধা-রা-লো পাতলা বড়সর একটা (গাছি-দা) মোটা একটা রশি গাছের সাথে কোমরে বাঁধার জন্যে, একটা ভারী মাটির কলস , একটা বাঁশের তৈরি ঠোঙ্গার মধ্যে আরো একটা ভারী দা সহ অন্যনো সরঞ্জাম সবই কোমরে শক্ত করে বেঁধে নিয়ে খালি পায়ে সরু গাছে উঠতে বেশ সহজ কাজ ও নয়, তার পর আগে থেকেই দীর্ঘ সময়ে  তৈরি করা গাছের বিশেষ ক্ষত স্থান যেটাকে (চোখ ) বলে গাছিদের ভাষায় সেটা পাতলা করে কেটে দিলে ফোঁটা ফোঁটা রস মাটির কলসে জমতে থাকে সারারাত ধরে । কাঁক ডাকা কুয়াশা মোড়ানো ভোরে আবারো খালি পায়ে গাছে উঠে নামিয়ে আনা হয় মাটির কলস , রস জাল দিয়ে ঘন হলে তবেই তৈরি হয় খাঁটি খেজুরের গুড় । আবার সেটাকে আরো ঘন করে জ্বালিয়ে এবং বিশেষ প্রক্রিয়ায় সাচে ঢেলে পাটালি তৈরি করতে দেখা যায়। সেটা বিক্রি চলে গাছির সংসার চলে ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া সহ অন্যান্য চাহিদা মেটানোর কাজ।

হরিনাকুন্ডু উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে কৃষকের অসাধ্যকে সাধ্য করার এই কর্মকান্ড লক্ষ্যে করা যায়। সেই সাথে তাদের কঠোর পরিশ্রম আর অসীম ধৈর্যের পরিচয় মেলে, পাওয়া সততার দৃষ্টান্ত । বাজার ভেদে বিক্রি হয় গুড়ের কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা আর পাটালি গুড়ের কেজি ৪০০টাকা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com