1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার মাদক কারবারিদের ধরতে মাঠে নেমেছেন মন্ত্রী দুলু,আটক ৩ শনিবারের মধ্যে সব হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জামায়াত আমিরের সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর বগুড়া শিবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রতারণা মামলার আসামী শাওন গ্রেফতার : মূল রহস্য উদঘাটন। গঙ্গাচড়ায় সয়ড়াবাড়ী রহিম উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি এবং ভিকটিমের বাবা-মা প্রতিবাদ করায় তাদের ও মারপিট করায় আসামি গ্রেফতার নাগরিকবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও যুগোপযোগী বাজেট ঘোষণা করায় রাসিক প্রশাসককে বিভিন্ন বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন রামপালে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

অভিজ্ঞ কারিগরদের হাত ধরে লক্ষ্মীপুরে গড়ে উঠছে সমৃদ্ধ ট্রলার নির্মাণ শিল্প, বছরে বিনিয়োগ প্রায় ২০০ কোটি টাকা

মাহমুদুর রহমান মনজু  
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কিংবা আধুনিক ডকইয়ার্ড ছাড়াই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে লক্ষ্মীপুরে বিকশিত হয়েছে সম্ভাবনাময় ট্রলার নির্মাণ শিল্প। উপকূলীয় এই জেলায় বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ৪০০টি সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার ও নৌকা নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে বার্ষিক বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
এক সময় বড় সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার নির্মাণে বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হলেও এখন স্থানীয় কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় লক্ষ্মীপুরেই তৈরি হচ্ছে এসব জলযান। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
জেলার রামগতি উপজেলার টাংকি বাজার, চরগাজী, আসলপাড়া ও আলেকজান্ডার মাছঘাট; কমলনগরের মতিরহাট ও ভাঙাপুল; সদর উপজেলার মজুচৌধুরীরহাট ও বেঁড়ির মাথা এবং রায়পুর উপজেলার চরবংশী ও হাজীমারাসহ অন্তত ১৩টি স্থানে ট্রলার ও নৌকা নির্মাণ করছেন স্থানীয় কারিগররা। বংশ পরম্পরায় অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কাঠ ও লোহার সমন্বয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এসব ট্রলার তৈরি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি বড় সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার নির্মাণে আকারভেদে কয়েক লাখ টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। প্রতিটি ট্রলার তৈরিতে একাধিক দক্ষ কারিগর ও শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। দক্ষ কারিগররা দৈনিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং সহকারী শ্রমিকরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পেয়ে থাকেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, বর্তমানে জেলায় মেঘনা নদীতে চলাচলের জন্য প্রায় ৩ হাজার অনুমোদিত ফিশিং ট্রলার রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত লক্ষ্মীপুরে সরকারি বা বেসরকারি কোনো অনুমোদিত আধুনিক ডকইয়ার্ড গড়ে ওঠেনি। তিনি বলেন,
“মূলত স্থানীয় উদ্যোক্তা ও কারিগরদের উদ্যোগেই এই শিল্প টিকে আছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আধুনিক ডকইয়ার্ড এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে ট্রলার নির্মাণ শিল্প আরও বিস্তৃত হবে।”
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে এই শিল্পের বিকাশ ঘটানো গেলে শুধু জেলেদের জীবনমান উন্নয়নই নয়, বরং লক্ষ্মীপুর জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে কারিগর ও উদ্যোক্তারা মনে করছেন, সরকারি সহায়তায় আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এই সম্ভাবনাময় শিল্প থেকে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশীয় ট্রলার নির্মাণ শিল্প আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হতে পারবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com