1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শনিবারের মধ্যে সব হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জামায়াত আমিরের সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর বগুড়া শিবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রতারণা মামলার আসামী শাওন গ্রেফতার : মূল রহস্য উদঘাটন। গঙ্গাচড়ায় সয়ড়াবাড়ী রহিম উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি এবং ভিকটিমের বাবা-মা প্রতিবাদ করায় তাদের ও মারপিট করায় আসামি গ্রেফতার নাগরিকবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও যুগোপযোগী বাজেট ঘোষণা করায় রাসিক প্রশাসককে বিভিন্ন বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন রামপালে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্টদের বিচারের মাধ্যমে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করা হবে: নুর

গতকাল নওগাঁর পত্নীতলায় জামাত ইসলামের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল

মোঃ আফজাল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে
গতকাল ০২/০২/২০২৬ ইং তারিখে  নওগাঁ জেলার  পত্নীতলা  উপজেলার নজিপুর বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে । কারণ গত ০১/০২/২০২৬ইং রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যে ব্যানার ফেস্টন  সেগুলো ছিঁড়ার প্রতিবাদে গতকাল  নজিপুর  বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বরে বিক্ষোভ করেন  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর  নেতাকর্মীরা । এবং এর আগে কিন্তু বিভিন্ন সড়ক তারা বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন সড়কে। সেখানে  প্রায় হাজারের কাছাকাছি নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছিল , জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছে। তাদের অভিযোগ যে, গত ০১/০১/২০২৬ ইং তারিখে কে বা কাহারা তাদের ব্যানার ফেস্টন , নির্বাচনী ব্যানার ফেস্টন এবং ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। আমি একটু কথা বলেছিলাম  এই উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হারুনের সাথে- আজকে যে বিক্ষোভ মিছিল আপনারা করতেছেন কি কারণে করতেছেন বা আপনাদের কি হয়েছিল এ সম্পর্কে আমাদের জানাবেন একটু।
তিনি বলেন  গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আমাদের কিছু ব্যানার ফেস্টুন নজিপুর ব্রিজে লাগানো হয়। এই ব্যানার ফেস্টুনগুলো লাগানোর পরে আমাদের ছেলে-পেলে নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে বিভিন্ন ওয়ার্ক করে সাড়ে দশটার দিকে যাইয়া দেখে আমাদের একটা ব্যানার ফেস্টুন সেখানে নাই। এরপরে আমরা প্রশাসনকে জানাই। প্রশাসন তালবাহানা করে আমাদেরকে কো-অপারেট না করে প্রতিপক্ষ বিএনপিকে সেখানে লেলিয়ে দেয়। বিএনপিকে লেলিয়ে দেওয়ার পরে আমাদের ছেলেপেলেরা যখন উত্তেজিত হয়, ওরা তখন ভয়ে চলে যায় সেখান থেকে। এর প্রতিকার হিসেবে আমরা আজকে এই বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করেছি। আমরা এটার বার্তা দিতে চাই যে, আমাদের জনপ্রিয়তা, আমাদের আচার-ব্যবহার, আমাদের কারণে মানুষ আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার তারা হিংসা পরায়ণ হয়ে তারা এখন আমাদের সাথে জনপ্রিয়তায় না পেরে চোরা গুপ্ত হামলার পথ বেছে নিয়েছে। আমাদের গতকাল রাত্রে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন কার্যালয়ের ইউনিয়নের যে সাইনবোর্ড দেওয়া আছে, সামনে সেটাতে আক্রমণ করেছে। মাটনদার ইউনিয়নে কয়েকটা ব্যানার এক করছে। পাটিছড়া ইউনিয়নে আমাদের মা-বোনদের হুমকি দিয়েছে, তোমাদের শাড়ি খুলে নেওয়া হবে, তোমাদেরকে বের হতে দেওয়া হবে না এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব, উনি আমাদের অমুসলিম ভাইদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে। এই বিভিন্ন প্রতিবাদে আজকের আমাদের এই ভোটারদের ভয়ভীতি এবং আমাদের ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ার প্রতিবাদে আজকের আমাদের এই বিক্ষোভ সমাবেশ।
অন্য একজন  জানিয়েছিলেন  আসলে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যে নির্বাচনী প্রার্থীর যে ব্যানারগুলো সেগুলো ছিঁড়ার প্রতিবাদেই কিন্তু তারা আজকে এই বিক্ষোভ মিছিল দিয়েছেন। আমরা কথা বলব এই উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আক্তার হোসেনের সাথে। আমাদের একটু জানাবেন যে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এরকম অভিযোগ আপনারা ব্যানারে দিয়েছেন। তো এই বিষয়ে আমাদের একটু জানাবেন, ভোটারদের যে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেছে কারা করতেছে বা কি কারণে করতেছে? আপনারা কি জানতে পেরেছেন?
অন্য আরেকজন আমাদের যেটা ধারণা সেটা হচ্ছে যে, এর আগে আমরা একটা দেখছি ভয়ভীতি প্রদর্শন, একটা ভোটের মাঠ, এখানে ভয়ের ব্যাপার আসার কথা না। ভয় কখন আসতেছে? তারা যখন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় আমাদের কাছে টিকবে না বলে তাদের ধারণা, তখন তারা তাদের পেশিশক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করতেছে। আমাদের এজেন্টদেরকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করতেছে, আমাদের নারী ভোটারদেরকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করতেছে। বিভিন্নভাবে তারা হুমকি দিচ্ছে এই কারণে যে, তারা দেখতেছে যে জনমত জামায়াতে ইসলামীর দিকে, ডানিপাল্লার দিকে হেলে যাচ্ছে। এখন এইটা ঠেকানোর আর কোন রাস্তা তাদের জানা নাই। এই জন্য তারা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে আমাদের ধারণা। গত রাত্রে যার প্রতিবাদে আজকের এই মিছিল, গত রাতে আমাদের নজিবরের হচ্ছে ব্রিজে যে ব্যানার ফেস্টুন ছিল, এগুলো তারা ছিঁড়ে ফেলেছে। দুদিন আগে মেসের বাজারে, আমায়ার মেসের বাজারে আমাদের একজন কর্মীকে সিরকুট দিয়ে তার দোকান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে, জামায়াতে ইসলামী করবার কারণে। আবার বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে আমাদের ভোটারদেরকে হুমকি ধমকি দেওয়া হচ্ছে। তো আমরা মনে করি আসলে এই হুমকি ধমকি দিয়ে এই মাঠ তাদের অনুকূলে নেওয়া সম্ভব নয়। যারা হুমকি দেয় তাদের পক্ষে মাঠ কখনো যায় না, বরঞ্চ মাঠ তাদের বিপক্ষে যায়। এটা যদি আমাদের প্রতিপক্ষরা বোঝে তাহলে এটাই বেশি ভালো। বরঞ্চ তারা যদি তাদের আদর্শ দিয়ে, তাদের চিন্তা দিয়ে, তাদের ভাবনা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী যেভাবে মানুষদেরকে তাদের দিকে ডাকে, তারা যদি তাদের দিকে ডাকত তাহলে সেটাই বেশি ভালো হতো। আমরা মনে করেছিলাম সতেরো বছর পর একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আমরা দেখব। কিন্তু আমরা সতেরো বছর পর এসে যা দেখি যে, আগের যে ফ্যাসিবাদীরা, আগের যে শাসক, তারা যেভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের প্রতিপক্ষকে ভোট কেন্দ্রে না যাবার জন্য উৎসাহ দিত, ভয় দেখাত ঠিক একই কায়দায় বলতেছে বিভিন্ন জায়গায় যে, যারা ধানের শীষে ভোট দিবে না, যারা আমাদেরকে ভোট দিবে না তারা যেন ভোট কেন্দ্রে না যায়। হিন্দুরা যেন ভোট কেন্দ্রে যায়, আবার না যায়। আবার বলতেছে যে হিন্দুরা যদি ভোট দেয়, জামায়াতে ইসলামী যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে নাকি হিন্দুদেরকে মানে দেশে রাখা হবে না, নারীদের জন্য বোরকা পরা বাধ্যতামূলক করা হবে। এই নানাবিধ এই প্রোপাগান্ডা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে চালানো হচ্ছে। এই প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধেই আজকের আমাদের এই বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ মিছিল। আমরা এই মিছিলের মধ্য দিয়ে জানাতে চাই যে, কোন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসলে জামায়াতে ইসলামীকে কোন জায়গায় দাঁড় করানো সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামী তার লক্ষ্যের দিকে, তার মঞ্জিলের দিকে যে দৃঢ়চিত্তে এগিয়ে যাচ্ছে, ইনশাল্লাহ জনগণের সমর্থন নিয়ে বারো তারিখে ডানিপাল্লার পক্ষে একটা গণবিপ্লবের মধ্য দিয়ে একটা নতুন বাংলাদেশের শুভ সূচনা করবে, ইনশাল্লাহ! এটাই আমাদের আশা।
আমি আরেকটি বিষয় জানতে চাচ্ছিলাম যে, আপনাদের যে এই যে অভিযোগের প্রেক্ষিতে যে আপনারা যে বিক্ষোভ মিছিল করতেছেন বা এই যে আপনাদের যে অভিযোগ এটা কি প্রশাসনকে জানিয়েছেন বা প্রশাসনের ভূমিকা কেমন?
তাদের পক্ষ থেকে জানান আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আমাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছি। আমাদের এসিল্যান্ড মহোদয় জানেন। এইটা হচ্ছে মানে আমাদের জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। আবারও মানে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উনিও জানেন। ওনারা বলেছেন যে, আমরা তদন্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ব্যবস্থা নেব।
 অন্য আরেকজন জানান তারা একটা শান্তিপূর্ণ ভোট আশা করেন এই উপজেলা থেকে। এর আগে কিন্তু নজিবর বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বর থেকে কিন্তু একটি বড় বহর নিয়ে জামায়াতে ইসলামী কিন্তু বিভিন্ন নজিবর বাসস্ট্যান্ড, নজিবরের বিভিন্ন সড়ক কিন্তু তারা বিক্ষোভ মিছিল করেছে এবং বিভিন্ন স্লোগানে কিন্তু স্লোগান দিয়ে কিন্তু তারা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এই ছিল নওগাঁর পত্নীতলা  থেকে সর্বশেষ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com