1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত আমিরের সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর বগুড়া শিবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর প্রতারণা মামলার আসামী শাওন গ্রেফতার : মূল রহস্য উদঘাটন। গঙ্গাচড়ায় সয়ড়াবাড়ী রহিম উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি এবং ভিকটিমের বাবা-মা প্রতিবাদ করায় তাদের ও মারপিট করায় আসামি গ্রেফতার নাগরিকবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও যুগোপযোগী বাজেট ঘোষণা করায় রাসিক প্রশাসককে বিভিন্ন বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন রামপালে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্টদের বিচারের মাধ্যমে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করা হবে: নুর ‘যারা জুলাইকে কটাক্ষ করবে, তাদের জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলতে হবে’: ছাত্রদল নেতা

‘দ্বৈতনীতি’ ও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ জেএসডি প্রচারে জরিমানা, প্রশাসনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ হুমায়ুন কবির
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ঝালকাঠি-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে এসে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ‘দ্বৈতনীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার’ শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজাপুর সদরের বাইপাস মোড়ে এলাকায় এ আসনের প্রার্থী মো. সোহরাব হোসেনের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ জরিমানাকে সম্পূর্ণ অবৈধ, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ দাবি করে তাৎক্ষণিক ভাবে বাইপাস মোড়ের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা আইন মানি, কিন্তু প্রশাসন আইন মানছে না। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রকাশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এটি প্রশাসনিক সন্ত্রাসের শামিল।”

তিনি অভিযোগ করেন, প্রচার-প্রচারণার সময়সীমা ছোট দল ও স্থানীয় নেতাদের ওপর কঠোর ভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, অথচ বড় দল ও প্রভাবশালী নেতাদের ক্ষেত্রে তা প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হলেও প্রশাসন নীরব থাকে।”

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “আইন যদি সবার জন্য হয়, তাহলে তারেক রহমান ও ড. শফিকুর রহমানের জন্য আলাদা নিয়ম কেন ? বড়দের জন্য ছাড়, ছোটদের জন্য শাস্তি, এটাই কি রাষ্ট্রের নীতি ?”

তিনি আরও বলেন, “বড় দল গুলো সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রচারণা চালালেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অথচ ছোট দল গুলোর ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের নামে রাজনৈতিক হয়রানি চালানো হচ্ছে। এ ঘটনাকে তিনি ‘নির্বাচনী মাঠে প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব’ আখ্যা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “সবার জন্য সমান আইন নিশ্চিত না হলে এই নির্বাচন জনগণের কাছে প্রহসনে পরিণত হবে। আমরা এই নির্বাচন নিয়ে চরমভাবে সন্দিহান।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন এবং তার ভিজিটিং কার্ড ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। এ ধরনের আচরণ কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার হতে পারে না। তিনি তার আচরণে নিজেকে অযোগ্য প্রমাণ করেছেন।”

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের এই দ্বৈতনীতি ও স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com