1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারাগঞ্জে বিদ্যুৎ কর্মচারীর রহস্যময় মৃত্যু, ৩ দিন পর লাশ পাওয়া গেল আলু ক্ষেতে রমজান সামনে রেখে পিরোজপুরে বাজার মনিটরিং: ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ভোলায় নিখোঁজ হওয়া ৩ মাসের শিশু উদ্ধার; ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকের জিম্মায় প্রদান মাদারীপুরে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক জামালপুরে ৩টি বিপণিবিতান ও ২টি দ্রব্যসামগ্রীর দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা যশোরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭ বগুড়ার শিবগঞ্জে সিটিজেন গ্রুপের ৩য় ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুর লাশ উদ্ধার, এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ চট্টগ্রাম ১৫ আসনের সংসদ সদস্যের সাথে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের মত বিনিময় মিঠাপুকুরে বড়হয়রতপুর ইউনিয়ন নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা

​কলারোয়া-চন্দনপুর সড়কের দু’পাশে বোরো রোপণের ধুম: কৃষকের ব্যস্ততায় রঙিন ফসলের মাঠ

​মোঃ সাঈদ হাসান সুজন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

 সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে চন্দনপুর অভিমুখী পিচঢালা সড়ক। রাস্তার দু’পাশে তাকালে এখন চোখে পড়ে আদিগন্ত বিস্তৃত ফসলি মাঠ। ফাল্গুনের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে কলারোয়া-চন্দনপুর সড়কের দুই পাশের বিলগুলোতে এখন চলছে বোরো ধান রোপণের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। কৃষকের হাতের শৈল্পিক ছোঁয়ায় কাদা মাটি আর কচিকাচা ধানের চারায় সেজে উঠছে প্রতিটি জমি।

​সরেজমিনে ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কলারোয়া ও চন্দনপুরের এই সংযোগ সড়কের দু’পাশে চলছে এক নয়নাভিরাম কর্মযজ্ঞ। কোথাও একজোড়া বলদ আর কাঠের লাঙল নিয়ে চিরায়ত বাংলার সেই পরিচিত দৃশ্যে জমি চাষ করছেন কৃষক, আবার কোথাও দলবেঁধে কৃষাণীরা মিলে সারিবদ্ধভাবে চারা রোপণ করছেন। যান্ত্রিকতার ভিড়েও এখানে এখনো টিকে আছে লাঙল-জোয়ালের সেই আদি রূপ, যা পথচারীদেরও মুগ্ধ করছে।

​রাস্তার ধারের মাঠগুলোতে কর্মব্যস্ত কৃষকরা জানান, বোরো চাষের জন্য বর্তমান সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সেচ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় তারা উৎসবমুখর পরিবেশে মাঠে কাজ করছেন। মাঠের বুক চিরে বয়ে যাওয়া বিদ্যুতের লাইনের তারে পাখির কিচিরমিচির আর নিচে কৃষকদের সম্মিলিত গান—সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে এই সড়ক সংলগ্ন মাঠগুলোতে।

​স্থানীয় কৃষকরা আশা করছেন, যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দেয় এবং সার-বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তবে এবার কলারোয়া-চন্দনপুর অঞ্চলের মাঠগুলো সোনালি ধানের হাসিতে ভরে উঠবে। আর এই হাসির ওপরই নির্ভর করছে হাজারো কৃষক পরিবারের আগামী বছরের স্বপ্ন ও সার্থকতা।

​সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ বলেন, “রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দু’পাশের এই সবুজ মাঠ আর কৃষকদের কাজের দৃশ্য মন জুড়িয়ে দেয়। এটি আমাদের বাংলার প্রকৃত পরিচয়।”

​কলারোয়ার এই উর্বর মাটির বুক চিরে কৃষকের ঘামে ভেজা শ্রমে ফলবে যে ফসল, তা কেবল উপজেলারই নয়, বরং দেশের খাদ্য ভাণ্ডারকে করবে আরও সমৃদ্ধ—এমনটাই প্রত্যাশা এই জনপদের সাধারণ মানুষের।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com