বগুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে সততা ও ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত এক নাম কে. এম. খায়রুল বাশার। দলীয় পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ব্যক্তিগত সততা, নৈতিক অবস্থান ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে অনেকের কাছে সম্মানিত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের জাতীয়তাবাদী ধারার রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা আদর্শিক অবস্থানের জন্য পরিচিত। তিনি নিজেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে সততা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত স্বার্থে বিতর্কিত কোনো পথে হাঁটেননি তিনি। বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনকেই বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেছেন। গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক বিভিন্ন উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি তার রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে জেলায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। সম্ভাব্য বগুড়া পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে তাকে দেখতে চান—এমন মতও ব্যক্ত করছেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, নগর উন্নয়ন, সুশাসন ও নাগরিক সেবায় গতিশীলতা আনতে অভিজ্ঞ ও সৎ নেতৃত্ব প্রয়োজন।
তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রার্থী চূড়ান্তের আগে দলীয় সিদ্ধান্তই শেষ কথা হবে। এর মধ্যেই কে. এম. খায়রুল বাশারকে ঘিরে আলোচনা বগুড়ার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।