গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ (টিআর) প্রকল্পের নির্মিত রাস্তার কাজ পরিদর্শন করেন মেলান্দহ উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব জিন্নাতুল আরা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলীসহ আরও অনেকে।
মেলান্দহ বাজারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মোঃ চান মিয়ার বাড়ি থেকে মিজান নগর মসজিদ পর্যন্ত নতুন রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ রাস্তাটি বাস্তবায়নে একলাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও জমি দান বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
রাস্তা নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মোঃ চান মিয়ার বাড়ি থেকে মিজান নগর মসজিদ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকলে ৫ ফুট করে ১০ফুট প্রশস্ত রাস্তার জন্য জমি দান করেন। জমিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন শিলা আক্তার, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ মকবুল হোসেন, মনি আক্তার, আকাশী আক্তার, হাজী বদিউজ্জামান (বদি), মোঃ নুরুল ইসলাম (মোস্তফা), মোঃ সবুজ মিয়া, ফরিদা বেগম, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ হাসান আলী এবং মোঃ নাজের আলী। তাদের এই মহৎ উদ্যোগের ফলে রাস্তার প্রশস্তকরণ ও নির্মাণকাজ সহজ হয়।
প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ১৫৩ টাকা ৩১৩ পয়সা। প্রকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার। সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক, যার প্রশাসনিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়। সামনের দিনে কাচা রাস্তা থেকে পাঁকা রাস্তার করার জন্য বরাদ্দবৃদ্ধি করার প্রতিশ্রিতি দিয়েছেন।
রাস্তার মাটি কাটার কাজ বাস্তবায়নে এবং সার্বিক তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পৌরসভায় কর্মরত মোঃ বিল্লাল হোসেন ও মোঃ নুরুল ইসলাম (মোস্তফা)। তাঁদের সক্রিয় সহযোগিতায় কাজের গুনগত মান বজায় থাকবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এলাকাবাসীর সহযোগিতা দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছে। ভবিষ্যতেও রাস্তার উন্নয়নে এলাকাবাসী এগিয়ে আসবে।
এলাকাবাসী জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন রাস্তা নির্মাণের ফলে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় ও কেন্দ্রীয় গোরস্থানে লাশ আনার জন্য যাতায়াতে অনেক সহজ হবে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, জনগণ ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকুক এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।