1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার বিএনপি নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব! গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর ওসিকে প্রত্যাহার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ

তরুণদের_ফ্রি_ফায়ার_আসক্তি, ঘটছে সহিংসতাও, প্রয়োজন সচেতনতা

শামীম আহমেদ 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে
বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন গেমিং এর ঝুঁকি তরুণদেরকে এক আশঙ্কাজনক আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে ক্রমাগত । এমনকি সহিংসতার মতো ঘটনার জন্মও হচ্ছে দেশের একাধিক এলাকায় । বিশেষ করে  ফ্রি ফায়ার গেম । সম্প্রতি নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় তেমনি এক তথ্য বেরিয়ে এসেছে সরেজমিন তদন্তে ।
গত ২৫ মার্চ উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামে     দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী (ছদ্মনাম) তামিমকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয়ার ঘটনায় কেন্দুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় । অভিযোগে পূর্ব শত্রুতার জেরে এর সূত্রপাত বলে নিশ্চিত করেন তামিমের মা (ছদ্মনাম) হালিমা খাতুন ।
আজ ৩১ মার্চ পক্ষ-বিপক্ষ ও স্থানীয়দের সাথে কথা হলে বের হয়ে আসে মূল রহস্য ৷ জানা যায়, ফ্রি ফায়ার নামে একটি জনপ্রিয় ফ্রি-টু-প্লে মোবাইল ব্যাটল রয়্যাল গেম এর মাধ্যমে গালিগালাজের ফলে ১ম একটি পক্ষ অন্য ২য় একটি পক্ষকে মারধর করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং এতে আরো একটি ৩য় পক্ষ (আঘাতপ্রাপ্ত) ছবি দিয়ে ১ম পক্ষকে সহায়তা করে । এতে ক্ষেপে গিয়ে ২য় পক্ষ ৩য় পক্ষকে দলবদ্ধ হয়ে আক্রমণ ও গুরুতর আহত করে ।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে কেন্দুয়া সরকারি কলেজের প্রভাষক আব্দুল কাদের নয়ন বলেন, এই গেমটি ব্যবহারকারীদের ভীষণভাবে আসক্ত করে তোলে ৷ ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা বাদ দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলার কারণে
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে । তারা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধমূলক কাজে । এছাড়া দীর্ঘক্ষণ মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখ ও ঘাড়ের সমস্যা তৈরি করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতি তো করছেই, সাথে সুন্দর ভবিষ্যৎও নস্ট করছে । এর থেকে তাদের বের করে নিয়ে আসা আমাদের সবার দায়িত্ব । বিশেষ করে প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের দায়িত্ব সবার আগে ।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী মাকসুদ জানান, তদন্ত সাপেক্ষে সাইবার সুরক্ষা আইনে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে । তবে এই অবস্থা থেকে তরুণদের ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে নিয়ে আসার জন্যে আমাদের দায়ি যেমন আছে তেমনি সবার আগে পরিবারের ভূমিকা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com