1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার বিএনপি নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব! গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর ওসিকে প্রত্যাহার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ

হুমকি দিয়ে পরদিন আ’লীগ নেতার নেতৃত্বে চিংড়িঘেরের মাছ লুট।

খান জাহিদ ইকবাল
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে
Oplus_131072
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হুমকি দেওয়ার একদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে একটি চিংড়িঘের থেকে মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর মৌজায় গোলাম আজম নামের এক ব্যবসায়ী ২০১৫ সাল থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে চিংড়িঘের পরিচালনা করে আসছেন। তিনি স্থানীয় রফিকুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে চার বছরের অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে ঘেরটি পরিচালনা করছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৩ এপ্রিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আহাদ আলীর ছেলে রাশিদুল ও সিরাজুল তাকে মাছ লুটের হুমকি দেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শ্যামনগর থানায় লিখিতভাবে অবহিত করেন।
এরপর সোমবার হুমকির পর মঙ্গলবার (পহেলা বৈশাখের দিন) সকালবেলা এলাকার উৎসবের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে আহাদ আলী ও তার তিন ছেলে—রাশিদুল, শহিদুল ও সিরাজুল—দলবলসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘেরে প্রবেশ করে ব্যাপক লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পুনরায় শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আহাদ আলী বলেন, “আমি আগে রাজনীতি করলেও বর্তমানে কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় আগেই গোলাম আজমকে সেখানে ঘের না করতে বলা হয়েছিল। তিনি কথা না শোনায় আমিও কিছু মাছ ছেড়েছিলাম এবং আটল দিয়ে কিছু মাছ ধরেছি।”
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com