1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

কুমারখালীতে আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্য, আইনের দ্বারস্থ গৃহবধূ

‎মোঃ আব্দুল মান্নান
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
‎কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর রেলবস্তি এলাকায় এক আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ককে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর রেলবস্তির বাসিন্দা শ্যামল দাসের ছেলে জনি দাসের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এক মুসলিম গৃহবধূর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় আট বছর ধরে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। একপর্যায়ে জনি দাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।
‎পরবর্তীতে ওই গৃহবধূ তার স্বামীকে তালাক দেন এবং জনিকে বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নেন। তবে বিয়ের নির্ধারিত তারিখ ঘনিয়ে এলে পরিবারের চাপে জনি বাড়ি থেকে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। তার মোবাইল ফোন নম্বরসহ সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন ওই নারী।
‎বিয়ের দাবিতে এক পর্যায়ে ওই নারী জনির বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। কিন্তু জনির পরিবারের সদস্যরা তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে একটি কন্যাসন্তানকে নিয়ে ওই নারী দিশেহারা অবস্থায় রয়েছেন এবং জনিকে ফিরে পাওয়ার আশায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
‎এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিছু বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে জনির পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি যাতে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সচেতন মহল সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
‎এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com