1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ ইরানে বিপ্লবী গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করে হত্যা বকেয়াসহ জুলাই থেকে নিয়মিত বেতন পাবেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারসহ সব দুর্নীতি তদন্ত করা উচিত: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’ যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান

মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

সঞ্জয় বাড়ৈ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন সবজি ও মাছ বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে, মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য আকাশচুম্বী। সরজমিন পরিদর্শনে, শহরের ইটেরপুল বাজার, পুরানবাজার,কুলপুদ্দী কাঁচাবাজার, শকুনি লেকে অস্থায়ী সবজি বাজার, চরমুগুরিয়া বাজার, মস্তফাপুর কাচাবাজার,গগনপুর বাজার,খাকদী বাজার ও ঘটকচর বাজার গুলোতে মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য, সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে।এখানে প্রতি কেজি দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৭০০থেকে ৭৫০ টাকায় এছাড়াও সোনালী ৩৫০টাকা,লেয়ার ৩৭৫টাকা,কক ৩৬০টাকা ও বয়লার বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা দরে।খাশির মাংস ১২০০টাকা ও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়।দেশীয় প্রজাতির মাছ যেমন, কৈ,শিং,শোল,বোয়াল,ট্যাংরা প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে ১০০০টাকা দরে।ইলিশ মাছ নাগালের বাহিরে। একটু কম দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের মাছ।চাষের কোন মাছই ২০০ টাকার নিচে বিক্রি করতে দেখা যায়নি।একই চিত্র সবজি বাজারেও।ঢেরশ ৫০টাকা,করলা ৮০ টাকা,শশা ৭০টাকা,গাজর ৬০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৪০টাকা,বরবটি ৭০টাকা,পটোল ৬০ টাকা,কাচাকলা হালি প্রতি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেবল কমদামে বিক্রি হচ্ছে আলু,পিঁয়জ ও রসুন।নিত্যপন্যের এই উর্ধমূখী বাজারে সাধারন ক্রেতারা অসহায় হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাজার না করে বা আংশিক বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছে।কেউ কেউ আবার গুনগত মান কিংবা পুষ্টিমানের সাথে সমঝোতা করছে।বিক্রেতারা বলছে জ্বালানি সংকটের কারনে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে,ভরা ৃমৌসুমেও বেশি মূল্যে পন্য বিক্রি করতে হচ্ছে। গ্রাহরা বলছে সরকারি তদারকির অভাবে, বিক্রেতারা ইচ্ছে মত দামে পন্য বিক্রি হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি তদারকি বৃদ্ধি করলে দ্রব্য মূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com