1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

ডোমার সরকারি কলেজের মূল ফটক নিয়ে দ্বন্দ্ব, কাউন্সিলর এর উদ্দেশ্যে ঝাড়ু মিছিল

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকাল পাঁচ টার দিকে ডোমার হাইস্কুল মাঠ হতে শতাধীক নারী পুরুষ ঝাড়ু হাতে নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে পৌরসভা ভবনের সামনে ডোমার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ডোমার পৌরসভার কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান সুমনের কুশপুত্তলিকা দাও করে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।বক্তব্য রাখেন, এলাকাবাসী আনিনুর রহমান, জয়নাল আবেদীন ও গোলামিন রহমান প্রমুখ।

বক্তব্য বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর হতে ডোমার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সুমন চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সাধারণ মানুষের উপর হামলাসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সুমনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা ও বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবী করে বক্তারা। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন ।ঝাড়ু মিছিলের বিষয়ে ডোমার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ডোমার পৌরসভার কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান সুমন বলেন, এটা আমার কোন বিষয় নয়। ডোমার সরকারি কলেজের গেট সম্প্রসারণ করার সময় আফসারুল নামের এক ভদ্রলোক ডোমার সরকারি কলেজের জমি দাবি করে। সেখান থেকে মীমাংসা করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আমাকে সহ বিএনপি’র নেতৃত্ববিন্দদেরকে ডাকা হয়। আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখি ডোমার পৌর বিএনপি সভাপতি আনিসুর রহমান আনুকে আফসারুল ঘুষি মেরে লাঞ্চিত করে ।

পরে এলাকাবাসী এসে তাকে ধরে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়। আমি কলেজের পক্ষে কথা বলেছি বলেই, আমার নামে আজ ঝাড়ু মিছিল বের করেছে তারা।
ডোমার পৌর বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান আনু বলেন নীলফামারী থেকে সেনাবাহিনীরা বর্তমান মেজর আমাকে জানান ডোমার সরকারি কলেজের সম্পত্তি একজন দাবি করতেছে। মীমাংসার জন্য আমি সেখানে উপস্থিত হলে আফসারুল নামে এক ব্যক্তি আমাকে ঘুসি মেরে নিচে ফেলে দেয়, আমার দাঁত ভেঙ্গে যায়। পরে এলাকাবাসী এসে তাকে ধরে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়।

এবং কলেজের এই সম্পত্তি ৪৫ বছর আগে সাবেক টোকরা এমপি দান করেন।
আফসারুলের এর দাবি ডোমার সরকারি কলেজের সম্পত্তি আমার, আমার বাবা হাজী শামসুল হক, এবং আমার ছোট ভাই আলমগীর হোসেন নামে দলিল রয়েছে। আমি সম্পত্তির দাবি করতে গেলে ডোমার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমন, আনু সহ কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে মারধর করে। আমাকে মারতে মারতে ডোমার থানায় নিয়ে আসে। আমি এখন খুবেই অসুস্থ। আপনি ডোমার পৌর বিএনপি’র সভাপতি আনিসুর রহমান আনুকে মেরেছেন ? এই ঘটনার প্রেক্ষিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই ঝাড়ু মিছিল সংঘটিত করেছেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে আফসারুল হোসেন বলেন তারাই আমাকে মেরেছে, আমি কাউকে মারিনি, এবং ঝাড়ু মিছিলের বিষয়ে আমি কোন কিছুই জানিনা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com