1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনায় ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা পেলেন মাগুরার ইউপি সদস্য রিক্তা পারভিন কালিগঞ্জের মলাঙ্গায় গৃহবধূ সুলতার রহস্যজনক মৃত্যু নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল কুড়িগ্রামে আলুর বস্তা থেকে ৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার বগুড়ায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের স্মরণসভা ও ইফতার মাহফিল, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা জ্বালানি সংকটে স্থবির কলারোয়া: ইউরেকা পাম্পে দীর্ঘ সারি, সোনিয়া পাম্প বন্ধ খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতির সহধর্মিনীর শাহাদাত বার্ষিকী দালাল চক্রের হাতে জিম্মি দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ; নির্বিকার প্রশাসন লালমোহনে ১০০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে লালমোহন থানার পুলিশ। সোনাতলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কম দামে সার ও বীজ চায় লালমনির হাটের কৃষক

মোঃ আহসান হাবীব
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা লালমনিরহাট জেলা। এখানে ফসলি জমি ও চাষ হয় বেশি। দেশের কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখে লালমনিরহাট। কিন্তু কৃষকরা  সার ও বীজের দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। সার ও বীজ বেশি দাম দিয়ে ফসল চাষ করতে চায় না অধিকাংশ কৃষক।
 লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার চর হলদীবাড়ি গ্রামের কৃষক আশরাফ আলী বলেন, “বাবা কায় ক্ষমতায় আসিল, আর কায় হামাক কি দিবে এল্লা নিয়ে চিন্তা করার সময় হামার নাই বাহে। হামার যদি জমিত আবাদ করির পাই তাহলে হামার পেটে ভাত যাইবে। আর আবাদ করির না পাইলে হামার পেটে ভাত জুটবে না। কায় ক্ষমতায় আইসে আসুক অইল্লা দেখার টাইম হামার নাই বাহে, হামার কম দামে সার, বীজ আর তেল চাই।”
বিভিন্ন ফসলি জমি ঘুরে দেখা ও জানা যায়, আমন ধান ও বাদাম ঘরে তোলার পর পরই জমি পতিত না রেখে আবারও ফসল ফলানো জন‌্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা। চলছে ভুট্টা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও মিষ্টিকুমড়া চাষাবাদ। তবে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হয়েছে কৃষকদের। বন্যা শেষ হওয়ার পরই চাষাবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়ে কৃষকরা। তবে সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা  যায়, জেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩ শত হেক্টর জমিতে আর ভুট্টা ৩২ হাজার ৯ শত ২০ হেক্টর জমিতে। এছাড়া পেঁয়াজ ৯ শত হেক্টর ও রসুন ৪ শত হেক্টর চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।  লালমনিরহাটের বিভিন্ন চরাঞ্চলের ৬০ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার আবাদ করা হয়ে থাকে।
হাতীবান্ধা উপজেলার চর সিন্দুর্না গ্রামের মমতাজ আলী জানান, ‘আমরা কম দামে সার, বীজ ও তেল কিনতে চাই। ভালোভাবে সার দিতে পারলে ভালো ফসল পাবো। এতে যদি ভালো দাম পাই।’
একই এলাকার মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার তিস্তার চরে এক একর জমি আছে। সেই জমিতে প্রতিবছর বিভিন্ন আবাদ করেই চলি। চরের এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষে সব মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা। আর এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ৩০-৩৫ মণ। আমাদের এখানকার অনেকে চরে বিভিন্ন আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে।’
তিস্তার চরের ছকিনা বেগম বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজ করলে মজুরি পান ৪০০ টাকা। পুরুষরা পান ৬০০ টাকা। মজুরিটা একটু বেশি হলে ভালো হতো। তারপরেও নিয়মিত কাজ থাকার কারণে সংসারে একটু অভাব কমেছে। এইরকম কাজ সারাবছর থাকলে, আমার মত পরিবারগুলোর অনেক ভালো হতো।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হামিদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার পরেও এ জেলার কৃষকরা কৃষিতে বিপ্লব ঘটানোর চেষ্টা করছে। কৃষকরা ভুট্টাসহ শীতকালীন আলু, সরিষা, পেঁয়াজ, রসুন ও মিষ্টিকুমড়া চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার কৃষকরা সবজিতে ভালো দাম পাওয়ার কারণে খুব খুশি। আমরা তাদেরকে সবসময় পরামর্শ দিয়ে আসছি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com