1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

কয়রায় কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

এস এম এ রউফ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে
খুলনার  কয়রায় মাসুম বিল্লাহ নামের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে কর্মসৃজন কর্মসুচী প্রকল্প (৪০ দিনের) কাজের অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গোবরা গ্রামের আয়ুব আলী মল্লিক গত ২৭ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মাসুম বিল্ল্যাহ  উপজেলার সদর ইউনিয়নের  ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যঅর্থ আত্নসাতের বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে   সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার গোবরা গ্রামের মৃত আফতাব মিস্ত্রীর পুত্র মোঃ আয়ুব আলী। গতকাল সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল ৩ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের৷ ৪০ দিনের কর্মসুচী প্রকল্পের কয়রা সদর ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওর্য়াডের কাজের টাকা প্রকৃত শ্রমিককে না দিয়ে কৌশলে আত্মসাত করা হয়েছে। প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলী পার্থ চক্রবর্তীর সহযোগিতায় এই অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন , আমি নিজেও কাজ করি। কাজের অর্থের জন্য নগদ খোলা একাউন্ট নম্বর দিযে দেই। কিন্তু আমার একাউন্টে কাজের টাকা না দিয়ে ২নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্যর কাছের ব্যাক্তি ইয়াছিন মোড়লের মোবাইল একাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইকরামুল হকের টাকা তার মোবাইল একাউন্টে না দিয়ে অন্য একটি নম্বরে দেওয়া হয়েছে। আবু হানিফ নামের একজন কাজ করলেও ১৬ হাজার টাকা তার মোবাইল একাউন্টে না দিযে বিশ্বজিৎ নামের এক ব্যাক্তির মোবাইল নম্বরে টাকা প্রদান করা হয়েছে।  এ ধরনের  অনেক ব্যাক্তির নামের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে কথা হলে ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ বলেন, যারা অভিযোগ করেছে তার মধ্যে ১ জন ৫ দিন কাজ করে আর কাজে আসেনি। অন্য বাকি ২ জন মোটেও কাজ করেনি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানালে তারা অন্য লোক দিয়ে কাজ করার অনুমতি প্রদান করেন। উপজেলা  প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ সহকারী  প্রকৌশলী পার্থ চক্রবর্তী বলেন, ইকরামুলের বিষয়টি আগে থেকে জানি এটা মিষ্টেক হয়েছে। বাকি ২ জনের কথা আমি কিছুই জানিনা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।  বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com