1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ পিরোজপুরে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: বছরব্যাপী নানা আয়োজনের ঘোষণা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন; নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা আত্রাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে শিশু ধর্ষণ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ অভিযুক্ত গ্রেফতার, এলাকায় বিক্ষোভ ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে সংস্কার ও উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার চিত্র জুলাই শহীদ স্মরণে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি না থাকায় জামায়াতের উদ্বেগ পায়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন কলি রানী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছেন শাহবাজ শরিফ

নওগাঁর পত্নীতলায় মদ্যপ স্বামী প্রদীপ চৌধুরীর ধাক্কায় প্রাণ হারালেন গৃহবধূ প্রতিমা রানী

Md Afjal Hossain
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁর পত্নীতলায় গতকাল ২৮/০২/২০২৬ ইং তারিখে মদ্যপ স্বামীর নিষ্ঠুরতায় ঝরে গেল এক গৃহবধূর প্রাণ। সামান্য তুচ্ছ ঘটনায় মদ্যপ স্বামী প্রদীপ চৌধুরীর (৩৮) ধাক্কায় দেয়ালে আঘাত পান প্রতিমা রানী (২৫)। রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার উজিরপুর চৌধুরীপাড়া গ্রাম থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর চৌধুরীপাড়ার মৃত জয়নাথ চৌধুরীর ছেলে প্রদীপ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই চোলাইমদে আসক্ত ছিলেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তিনি মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফেরেন। নেশার ঘোরে পারিবারিক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে স্ত্রী প্রতিমা রানীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন প্রদীপ। ধস্তাধস্তির সময় প্রদীপ সজোরে ধাক্কা দিলে প্রতিমা ঘরের প্লাস্টারবিহীন ইটের দেয়ালের ওপর আছড়ে পড়েন। এতে তাঁর বাম চোখের কোণ ও ঠোঁটে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। আহত ও রক্তাক্ত স্ত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে বরং সেই অবস্থাতেই ৮ বছরের একমাত্র সন্তান জয়দেবকে মাঝখানে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন প্রদীপ। আজ শনিবার সকালে অনেক বেলা হলেও প্রতিমা ঘুম থেকে না ওঠায় প্রদীপ তাঁকে ডাকাডাকি করেন। স্ত্রীর শরীর নিথর দেখে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের মানুষ জড়ো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর পরই ঘাতক স্বামী প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করেছে পত্নীতলা থানা পুলিশ। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান জানায়: প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় গুরুতর আঘাত বা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণে ঘুমের মধ্যেই প্রতিমা রানীর মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মদ্যপানের মতো সামাজিক ব্যাধি কীভাবে একটি সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিল এবং একটি শিশুকে মাতৃহারা করল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই ন্ক্রজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। 
পত্নীতলার এই ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একটি সুন্দর সংসার মদের নেশায় এভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং একটি শিশুর মাতৃহারা হওয়া সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন।
মদ্যপ স্বামীর ধাক্কায় প্রাণ হারালেন গৃহবধূ: পত্নীতলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নওগাঁর পত্নীতলায় মদ্যপ স্বামীর নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে প্রতিমা রানী (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। সামান্য তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মদ্যপ স্বামী প্রদীপ চৌধুরীর (৩৮) ধাক্কায় দেয়ালে আঘাত পেয়ে এই মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হন তিনি। যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এই নারী।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উজিরপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর চৌধুরীপাড়ার মৃত জয়নাথ চৌধুরীর ছেলে প্রদীপ চৌধুরী দীর্ঘদিনের মাদকাসক্ত। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তিনি চোলাইমদ পান করে মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফেরেন। নেশার ঘোরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী প্রতিমা রানীর সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রদীপ স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। ধস্তাধস্তির সময় প্রদীপের সজোরে দেওয়া ধাক্কায় প্রতিমা ঘরের প্লাস্টারবিহীন ইটের দেয়ালের ওপর আছড়ে পড়েন। এতে তাঁর বাম চোখের কোণ ও ঠোঁটে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
নিষ্ঠুরতার চরম সীমা
আহত ও রক্তাক্ত স্ত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে বরং সেই অবস্থাতেই ৮ বছরের একমাত্র সন্তান জয়দেবকে মাঝখানে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন প্রদীপ। আজ শনিবার সকালে অনেক বেলা হলেও প্রতিমা ঘুম থেকে না ওঠায় প্রদীপ তাঁকে ডাকাডাকি করেন। স্ত্রীর নিথর দেহ দেখে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
আইনি ব্যবস্থা
খবর পেয়ে পত্নীতলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর পরই ঘাতক স্বামী প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে।
পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান:
“প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় গুরুতর আঘাত বা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণে ঘুমের মধ্যেই প্রতিমা রানীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
এলাকায় ক্ষোভ
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মদ্যপানের মতো সামাজিক ব্যাধি কীভাবে একটি সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিল এবং একটি শিশুকে মাতৃহারা করল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই নৃশংস ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com