1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

হরিপুরে জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫ জন

মোঃ খুবাইব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরে জমি জায়গা দখল নিয়ে ১জন নিহত ও আহত হয়েছেন ১৫ জনের মত। ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার কারিগাঁও মৌজায় আদিবাসী ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের মধ্যে প্রায় ৪০ বিঘা জমি নিয়ে অনেক বছর ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২৭/১১/২৪ ইং রোজ বুধবার সকাল ১১.০০ টা সময় ৪নং ডাংগীপাড়া ইউনিয়নের শিহিপুর দামোল গ্রামের আদিবাসিরা তাদের লোকজন নিয়ে ৫নং হরিপুরের কারিগাঁও মৌজার জমিতে ঘর নির্মাণ করেন। এতে ভোগদখলে থাকা স্থানীয় বাঙালিরা বাধা দেয়। এতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষ। এক পর্যায়ে কান্দন সরেন নামে এক আদিবাসী ঘটনা স্থলে নিহত হন। এতে সংঘর্ষ আরো তীব্র হলে আহত হয়েছেন ১৫ জনের মত। নিহত কান্দন সরেন কে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন ও আহতদের মধ্যে কয়েকজন কে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কয়েকজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনা স্থলে থাকা এক আদিবাসী জানান আমরা দুই দুইবার কোর্ট থেকে রায় আনার পরেও তারা জমি দখল ছাড়েনি আমরা বাধ্য হয়ে জমি দখলে যায় এবং এই ঘটনা ঘটে। মৃত কান্দন সরেন এর পরিবারের এক সদস্য জানান আমরা রেকর্ডিও সূত্রে জমির মালিক যার কাগজ আমাদের কাছে রয়েছে কিন্তু গায়ের জোরে তারা জবর দখল করে খাচ্ছে। এই ঘটনার আমরা সুষ্ঠ তদন্ত ও ন্যায় বিচার চাই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com