1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

ভোলায় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, নিয়োজিত থাকছে ১১ হাজারের অধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

জহিরুল ইসলাম লিটন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে ৬ স্তরের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এরই মধ্যে ২৬ জনের ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাবনী এলাকায় টহল দেয়া শুরু করে দিয়েছে। এছাড়াও পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী ও আনসার সদস্যরা চারটি আসনেই টহল দিচ্ছেন।

সুত্র জানায়, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ৫২৬টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২২৭টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ। যারমধ্যে বিচ্ছিন্ন এলাকার ২৬ ঝুকিপূর্ণ। এসব ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এদদিকে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারনা শেষ হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা এখন অপেক্ষায় আছেন কখন তারা ভোট দিতে যাবেন। যদিও বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘন্টার সকাল সন্ধ্যা হরতাল নিয়ে ভোটাররা কিছুটা চিন্তিত থাকলেও জেলা রির্টানিং অফিসার বলছেন, কঠোর নিরাপত্তা বাবস্থা নেয়া হয়েছে, কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘঠবে না, ভোটারদের উপস্তিতি থাকবে সন্তোষজনক।

ভোলার চারটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১৮ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ৪৬ হাজার ১২০ জন।

ভোলা সদর আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭১৪ জন, ভোলা-২ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৪০ জন, ভোলা-৩ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৮১৭ জন এবং ভোলা-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৬৮১ জন।

জেলা রির্টানিং অফিসার কার্যালয়ে সুত্র জানিয়েছে, নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে কাজ করছে প্রায় ১১ হাজার আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকাে বাহিনী। যাদের মধ্যে পুলিশ ১৭০৫জন পুলিশ, ৮২১জন নৌ বাহিনীর সদস্য, ১৮৩ জন বিজিবি ও ৩৪০জন আনসার সদস্য। এছাড়াও ৫৪টি মোবাইল টিম, ১০টি স্টাইকিং ফোর্স, ২৬টি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে।

ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং অফিসার আরিফুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন প্রার্থী। ৭ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com