1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

কয়রায় ভেঙে পড়া সেতু: জনদুর্ভোগ চরমে, জরুরি সংস্কারের দাবি

এস এম এ রউফ,কয়রা(খুলনা) :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

খুলনার কয়রা সদর ইউনিয়নের ২নং কয়রা গ্রামের ওড়াতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন খালের উপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে পড়ায় দুপাড়ের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দ্রুত সেতুটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে নির্মিত এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। বর্তমানে এটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর দুপাশে কোনো রেলিং নেই এবং অধিকাংশ পিলারের পলেস্তারা উঠে গেছে। সেতুর মাঝখান ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী ভাঙা অংশের ওপর কাঠের পাটাতন ও বাঁশ বিছিয়ে কোনোমতে পারাপার হচ্ছেন। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ২নং কয়রা গ্রামের ফারুক হোসেন জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের। কয়রা সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাসুম বিল্লাহও সেতুর বেহাল দশার কথা স্বীকার করে দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com