1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে তৎপরতায়, জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি

মোঃ নুর আলম দিনাজপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল আজহার আনন্দ শেষে প্রিয়জনদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কর্মস্থলের পথে ফিরছেন হাজারো মানুষ। আর এই ফেরার পথ যেন হয় নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল— সেই লক্ষ্যেই দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদারে চেকপোস্ট বসিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
ঈদের পরে শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দিনাজপুর সেনাক্যাম্পের আওতাধীন ২৮ বীর ব্যাটালিয়নের সদস্যরা বীরগঞ্জ পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট— বাসস্ট্যান্ড, বিজয় চত্বর, থানা মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান রাখেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত চেকপোস্ট কমান্ডারদের নেতৃত্বে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করা সহ করাহয় কঠোর তল্লাশি।
সেই সাথে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, যাত্রীবাহী বাস, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ইনস্যুরেন্স, ট্যাক্স টোকেন এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করেন সেনাসদস্যরা। অনিয়ম ধরা পড়লেই গ্রহন করা হচ্ছে আইনানুগ ব্যবস্থা।
তবে এই তল্লাশি অভিযান শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়াস নয়, বরং এক মানবিক উদ্যোগ— যা মানুষের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।
চেকপোস্টের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ওবায়দুল হক বলেন,
“আমরা চাই, ঈদের পর সবাই যেন নিরাপদে তাদের কর্মস্থলে ফিরতে পারে। এটি শুধু দায়িত্ব নয়, আমাদের মানবিক দায়বদ্ধতা। ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং সন্দেহজনক যেকোনো কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ, তথ্য সহায়তা ও দ্রুত দিকনির্দেশনার কারণে মানুষের মাঝে তৈরি হয়েছে আস্থা। যেকোনো অভিযোগ, তথ্য কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সেনাবাহিনী চালু করেছে হটলাইন— ০১৭৬৯৬৮৬৮৫৬।
এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
বীরগঞ্জ পৌর ব্যবসায়ী মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী বলেন,
“চেকপোস্টের কারণে যেমন অপরাধ কমেছে,তাই আগের চেয়ে মানুষ এখন অনেক বেশি নিরাপদ বোধও করছে।”
পথচারী সাদেকুল ইসলাম বলেন,
“সেনাবাহিনীর কারণে শহরে শৃঙ্খলা ফিরেছে। নেই যানজট, নেই বিশৃঙ্খলা, মানুষ স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারছে।”
ঈদের পর ঘরমুখো মানুষের ঢল যেমন থাকে, তেমনি থাকে কর্মস্থলে ফেরার চাপও। এই সময়ে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বীরগঞ্জে তৈরি হয়েছে এক নির্ভরযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ— যেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে ফিরছেন জীবিকার টানে, পেছনে রেখে ঈদের সোনালি স্মৃতি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com