1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

কেরানীহাটে যানজট ও গণপরিবহন স্বল্পতায় ঈদ শেষে শহরমুখীদের দুর্ভোগ

মোরশেদুল আলম চট্টগ্রাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-বান্দরবান মহাসড়কের কেরানিহাট মোড়ে নানা পেশাজীবী মানুষের ভিড়; গাড়ির জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, ভোগান্তিতে ফেরার পথে হাজারো যাত্রী।
ঈদুল আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো নানা পেশাজীবী মানুষ। চট্টগ্রাম শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কেরানিহাট মোড়ে (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-বান্দরবান মহাসড়কের সংযোগস্থল) গত কয়েকদিন ধরে গড়ে উঠেছে অস্বাভাবিক যাত্রী সমাগম। চট্টগ্রাম মহানগরীসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে ফেরার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ির অপেক্ষায় রাস্তার পাশেই অবস্থান করছেন যাত্রীরা।
মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কোনও নির্ধারিত বা পরিকল্পিত বাসস্ট্যান্ডের অভাব। বাসস্ট্যান্ড না থাকায় বিভিন্ন পরিবহনের গাড়ি এলোপাথাড়ি থামছে, যাত্রীরা রাস্তার ধারে ছোটাছুটি করছেন গাড়ি ধরার জন্য। এতে তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট ও বিশৃঙ্খলা। যাত্রীরা বাস, মাইক্রোবাস বা সিএনজি চালকদের সাথে দরদাম করছেন রাস্তার মাঝেই। ভিড়ে হিমশিম খাচ্ছেন নারী ও শিশুরা। পথচারী চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।
পদুয়া থেকে ফেরা ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আধ ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কোন গাড়ি পাচ্ছি না। যেগুলো আসছে ভাড়া চাইছে দ্বিগুণ। এখানে একটি সুসংগঠিত বাস কাউন্টার বা স্ট্যান্ড থাকলে এত ভোগান্তি হতো না।”
আরেকটি  গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিক রুমা আক্তার বলেন, “গরমে প্রায় অজ্ঞান হওয়ার অবস্থা। পানি খেতে পারছি না, টয়লেটেরও কোন ব্যবস্থা নেই। এত মানুষ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় কেন?”
অনেক বাস ও মাইক্রোবাস চালকও দাবি করছেন, সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ড না থাকায় তাদেরও যাত্রী তুলতে সমস্যা হচ্ছে। বিশৃঙ্খল পরিবেশে গাড়ি চালানোও ঝুঁকিপূর্ণ।
কেরানিহাট মোড় ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ঈদের পরপরই প্রতিবছরই এই দৃশ্য তাদের দেখতে হয়। এর স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
জরুরিভাবে এই কৌশলগত পয়েন্টে একটি আধুনিক ও সুবিন্যস্ত বাস টার্মিনাল বা বাসস্ট্যান্ড নির্মাণে অতিব জরুরী। এছাড়াও ফেরার সময়ে অস্থায়ীভাবে ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের কঠোর তদারকি এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
ঈদুল আযহার দীর্ঘ ছুটিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবানসহ পার্বত্য এলাকার হাজার হাজার মানুষ গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ছুটি শেষে একসাথে কর্মস্থলে ফেরার চাপে রাস্তায় এই নারকীয় দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেরানিহাট মোড় চট্টগ্রাম মহানগরী এবং কক্সবাজার-বান্দরবান সড়কের প্রধান সংযোগস্থল হওয়ায় এখানেই ভিড় সর্বাধিক।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com