1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

হিলি বন্দরে শাটডাউন প্রত্যাহার আমদানি রফতানি শুরু

হাসান আলী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ৫০৭ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের হিলি শুল্ক স্টেশনে কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি প্রত্যাহার করে আজ কাজে ফিরেছে হিলি কাস্টমসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ফলে বন্দরের ভিতরে গাড়ি লোড আনলোড সহ সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের। এর আগে (২৮-২৯ জুন) দুই দিন কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচির কারণে বন্দরে আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিলো।
সোমবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে নয়টায় হিলি শুল্ক স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে টানা দুই দিন পরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি প্রত্যাহার করে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কাজে ফিরেছে কাস্টমসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
সরজমিনে বন্দরে গিয়ে দেখা যায়, কাস্টমস কর্মকর্তা কর্মচারীরা কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বন্দরের ভিতরে গাড়ি লোড আনলোড সহ সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। ভারতীয় গাড়ি থেকে পণ্য লোড আনলোড কাজে ব্যস্ত সময় পাড় করছে শ্রমিকরা।
বন্দরের আমদানি কারক নুর ইসলাম বলেন, গত দুই দিন কাস্টমস কর্মকর্তা কর্মচারীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করায় বন্দরে আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। প্রথম দিনে যদিও দুই একটা গাড়ি গাড়ি বন্দরে প্রবেশ করেছিলো কিন্তু সেসব গাড়ির শুল্কায়ন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ করেন নাই কাস্টমস কর্মকর্তারা। তাই আজ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরে বন্দরের অভ্যান্তরে প্রবেশ করা ভারতীয় গাড়ি থেকে পণ্য লোড আনলোড এর কাজ শুরু করেছে শ্রমিকরা। এতে আমাদের কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এদিকে বেলা সাড়ে বারোটার পরে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে বলে জানান জিরো পয়েন্টে প্রতিদিনের টালি খাতার দ্বায়িত্বে থাকা হাফিজ আহমেদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিলি শুল্ক স্টেশনের কর্মকর্তা বলেন, এনবিআর সংস্কারের জন্য সরকারের কমিটি গঠন ও ব্যবসায়ী সংগঠনের আশ্বাসে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কমপ্লিট শাটডাউন ও মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। সেই সিদ্ধান্তকে আমরাও স্বগত জানিয়ে সকাল থেকে যথা নিয়ে কাজে ফিরেছি। সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
অন্য দিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, কাস্টমস কর্মকর্তা কর্মচারী দের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির ফলে বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের বৈধ পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিলো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com