1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কেরানীগঞ্জে প্রকৌশলী ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার – ৩

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের আরশিনগরে  প্রকৌশলী সদরুল আলম ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও এই মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্যটি জানান তিনি । গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল আলামিন (২২), মো. শুভ  (২৪) ও রিমন হোসেন (২৬)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো জানান, নিহত প্রকৌশলী সদরুল আলম আরশিনগর এলাকায় ইউনুস মিয়ার বাড়ির ৪র্থ তলার একটি ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়া থাকতেন। মাঝে মাঝে তার স্ত্রী বেড়ানোর জন্য ওই বাসায় আসতেন। তিনি তাসিফ করপোরেশন পিটিই লিমিটেডে সেলস এন্ড সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে ম্যানেজার পদে কর্মরত ছিলেন। গত ১২ আগস্ট তিনি একাই বাসায় ছিলেন। রাত আনুমানিক ১২টার সময় বাসার ফ্ল্যাটের ভ্যান্টিলিটার ভেংগে আল আমিন নামে এক চোর ঘরে প্রবেশ করে। আর শুভ ও রিমন বাসার সামনে পাহাড়ায় ছিল। এসময় প্রকৌশলী সদরুল আলম হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পান যে তার ঘরের ভিতর চোর। এসময় তিনি চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকে। এতে ওই চোর তাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে ওই ভ্যান্টিলিটার দিয়েই পালিয়ে যায়। পরে ফ্ল্যাটের মালিক খবর পেয়ে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশকে সংবাদ প্রদান করলে কেরাণীগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিডফোর্ট) হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে।

এ ঘটনায় কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় ভিসিষ্টের আপন বড় বোন মোসা. রেবেকা সুলতানা রত্না বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

পরে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমে আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার অপর দুই সহযোগি মো. শুভ ও রিমন হোসেনকে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করত। তারা দিনের বেলায় ভ্যান নিয়ে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রেকি করত এবং সুযোগ বুঝে রাতের বেলা চুরি করে বেড়াত। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com