1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

পীরগঞ্জে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে অসহায় পরিবার

মো. জহিরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়ন হাটপাড়া গ্রামে এক অসহায় পরিবারের চলাচল রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোছা. আক্তারা বেগম নামের এক অসহায় পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করেন। কিন্তু চলতি বছরের জুন মাসের শুরুতে সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিরসঙ্গী হিসেবে পরিচিত অবাইদুর রহমানের ছেলে মাহাবুর আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই চলাচলের পথটি কঞ্চির বেড়া ও খড়ির মাচা তৈরি করে অবৈধ ভাবে বন্ধ করে দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, আমাদের তারা শারীরিক মানসিক আর্থীক ভাবে সবসময় নির্যাতন করে আসছে। এবং জমিতে পানি সেচ ও ফসল ফলাতেও বিভিন্ন ভাবে বাধা দেয়। কিছু বললে দলবেঁধে মারতে আসে এবং ক’দিন আগে ভুক্তভোগী একজনের হাত ভেঙে দেয় মাহাবুর আলম। এছাড়াও অসুস্থ আক্তারা বেগমকে প্রায়ই চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়। তার স্বামী একজন খেটে-খাওয়া মানুষ তিন মেয়েকে নিয়েই তাদের পরিবার। চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করা হলেও অভিযুক্তদের সামাজিক প্রভাব ও হুমকির আশঙ্কায় প্রশাসনের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চলাচলের রাস্তায় বাঁশের কঞ্চির বেড়া ও খড়ির মাচা দিয়ে স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর একাংশ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অভিযুক্ত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত। তারা আরও জানান, মাহাবুর আলম কিছু মাদকাসক্তসঙ্গী এবং ১১নং বৈরচুনা ইউনিয়ন, দক্ষিণ নওপাড়া গ্রামের মো. মাইন উদ্দীনের ৫ ছেলে ও ওই এলাকার কিছু সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি, প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে, যা বর্তমানে আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগীর মা, আজিজা বেগম (৬৭) বলেন, “আমি মাঝেমধ্যে একটু হাঁটতে বের হই কিন্তু রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় এখন আর কোথাও যেতেও পারি না।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাবুর আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবারটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com