1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পতাকায় কলেমা লেখা নিয়ে মিছিল কলেমার শিক্ষা নয়, এটা কলেমাকে অপমান করা । -আল্লামা ইমাম হায়াত জুলাইয়ে দল-মত ভুলে মানুষ রাস্তায় নামে, তাদের সম্মান করতে হবে নিশ্চিত হলো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো, জার্মানিসহ একাধিক জায়ান্টের বিদায় ‘অ্যান্টি টেররিজম’ ও ‘কাউন্টার টেররিজমের’ হচ্ছে নতুন নাম, বাড়ছে দায়িত্ব পাকিস্তানে বিদেশি ২ নারী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার উপপ্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়সহ ৪ কুয়েতে অবৈধভাবে নারী গৃহকর্মী পাঠাচ্ছে দালাল চক্র, দূতাবাসের সতর্কতা নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ পিরোজপুরে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: বছরব্যাপী নানা আয়োজনের ঘোষণা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন; নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা

আজ বেনাপোল সরকারি প্রাইমারি স্কুল পিকনিক ট্র্যাজেডির ১০ বছর

কিশোর কুমার দেবনাথ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৯১ বার পড়া হয়েছে
সময় চক্রে সূর্য ফেরে, ফিরে আসে জোৎসনা, বেলা শেষে পাখিও ফেরে নীড়ে শুধু ফিরে আসে না ওরা” আজ সেই ১৫ ফেব্রুয়ারি, ভয়াল পিকনিক ট্র্যাজেডির দিন। এইদিনে বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিকনিক ট্র্যাজেডিতে নিহত হয় ৯ আদরের ছোট্ট সোনামণি।
এই দিনটি ঘিরে বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে আজ পালিত হয়, বেনাপোল পৌর শোক দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে  মেয়র উপস্থিত ছিলেন, আরো ছিলেন এনামুল হক মুকুল, অহিদুজ্জামান অহিদ, নুপুর হাজী, ২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট্ট সোনামনিরা শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে পিকনিকে গিয়েছিলো ঐতিহাসিক মুজিবনগর।
সারাদিন হৈ-হুল্লোড় শেষে সেখান থেকে ফেরার পথে যশোরের চৌগাছা এলাকার ঝাউতলা কাঁদবিলায় নেমে আসে এক অমানিশার অন্ধকারের কালো থাবা। নিমিষেই নিভে যায় ৯টি ছোট্ট সোনামনির তরতাজা প্রাণ। মর্মান্তিক সেই সড়ক দুর্ঘটনায় চিরকালের জন্য অন্ধকার নেমে আসে এই ৯টি হাসি-খুশি পরিবারের সুখ-শান্তি, জবান।খোকা ফিরবে, কবে ফিরবে, নাকি ফিরবে না! মা আজও চেয়ে আছে ছোট্ট সোনামণি পিকনিক থেকে ফিরবে। এভাবে দিন গুণতে গুণতে পেরিয়ে গেলো মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, আজ ১০টি বছর পূর্ণ হলো। কেউ ফিরে আসেনি।
সেদিনের সেই ভয়াল পিকনিক ট্র্যাজেডিতে হারিয়েছি যাদের- বেনাপোল পৌরসভার ছোটআঁচড়া গ্রামের সৈয়দ আলীর দুই মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সুরাইয়া (১০) ও তার বোন তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী জেবা আক্তার (৮), ইউনুস আলীর মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী মিথিলা (১০), রফিকুল ইসলামের মেয়ে চতূর্থ শ্রেণীর ছাত্রী রুনা আক্তার মীম (৯), লোকমান হোসেনের ছেলে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র শান্ত (৯), গাজিপুর গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র সাব্বির হোসেন (১০) ও নামাজ গ্রামের হাসান আলীর মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী আঁখি (১১)। ঘটনার ১৩ দিন পর ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ছোটআঁচড়া গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ইকরামুল (১১)। ৩২ দিন পর ১৯ মার্চ, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় একই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়ানুর রহমান (১১)।
সেদিনের সেই ঘটনায় আদরের ৯জন সোনামণিদের স্মরণে বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত হয় ৯টি কবুতর খঁচিত ভাস্কর্য। যেদিনটিকে নিয়ে প্রতিবছরের এইদিনে এখানে পালিত হয় বেনাপোল পৌর শোক দিবস। দিনের প্রথম প্রহরে থাকে সকালে শোক র‌্যালি, ৯ শিশু শিক্ষার্থীর স্মৃতি বিজড়িত ভাষ্কর্যে থাকে এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com