1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল ককরোচরা দিল্লি হাইকোর্টকেও বিপদে ফেলল সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ জেন-জি আন্দোলনের মধ্যে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ককরোচ জনতা পার্টির এবং কৃষকদের আন্দোলনের ধাক্কায় চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি সরকার কলকাতায় মমতার ‘শহীদ দিবস’ মঞ্চে ভাঙচুর, বিভক্ত কংগ্রেসের আলাদাভাবে পালনের উদ্যোগ জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিওটি আসল : রিউমর স্ক্যানার স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন

ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ করা ধানে ৬ মাসের ভাতের জোগান হয় আয়মনার

মোঃ মনিরুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে
স্বামী নেই। একমাত্র ছেলে রয়েছে, সে-ও থাকে আলাদা। নুন আনতে পান্তা ফুরায়। আয়-রোজগার বলতে দিনমজুরি ও ইঁদুরের গর্ত থেকে সংগ্রহ করা ধান। এই ধান বিক্রির টাকা দিয়ে চলে বছরের প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস।আটান্ন বছর বয়সী আয়মনা বেওয়া রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌর এলাকার শালঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রতি বছর আমন ধান কাটা শেষ হলেও নেমে পড়েন ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান কুড়াতে। সাপ-পোকামাকড়ের ভয় না পেয়েই ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করেন।উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধান কাটছেন কৃষকেরা। কাটা ধান শুকানো হচ্ছে রোদে।ধানসহ খড় শুকিয়ে গেলে জমি থেকে সেই ধান নেওয়া হচ্ছে ঘরে। আয়মনা বেওয়ার কাজ এখন শুরু, আর আয়মনার বসে থাকার সময় নেই। আগামী ছয় মাসের খোরাক গুছিয়ে তুলতে হবে ঘরে। আর সেই খোরাক তুলতে হবে ইঁদুরের গর্ত থেকেই। খুন্তি কোদাল, চালন, বস্তা নিয়ে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছুটছেন এ মাঠ থেকে ও-মাঠে। খুঁজে ফিরছেন ইঁদুরের গর্ত।দরিদ্র আয়মনা বেওয়া বলেন, স্বামী নেই। ছেলেও আলাদা। নিজে কাজ করি, নিজে খাই। প্রতিদিন সকালে মানুষের বাড়িতে কাজে যাই। আর আমন ধানের মৌসুম এলে কাজ শেষ করে বিকেলে মাঠে গিয়ে ইঁদুরের গর্ত খুঁজি। গর্ত থেকে রাত পর্যন্ত ধান কুড়াতে থাকি। ইঁদুরের গর্ত থেকে কুড়ানো ধানে আমার বছরের অর্ধেক পার হয়ে যায়। এ ছাড়াও এ ধান দিয়েই শীতের পিঠাও খাওয়া হয়। আর বছরের বাকি অর্ধেক দিনমজুর কাজ করেই চলে একার সংসার।
ইঁদুরের গর্তে সাপ পোকা-মাকড়ের ভয় পায় কি-না জানতে চাইলে আয়মনা বেওয়া জানান, পেটের খিদেই সব ভয় উড়ে যায় তার
দুর্গাপুর পৌর এলাকার শালঘরিয়া গ্রামের কৃষক রেন্টু মিয়া বলেন, ধান কাটার পর মাটিতে পড়া থাকা ধান অনেকেই সংগ্রহ করেন। ইঁদুরের গর্ত থেকেও সংগ্রহ করেন। এতে আমরা বাধা দিই না।দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, খেতে এভাবে ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তবুও অনেকে পেটের তাগিদে এ কাজ করে থাকেন।লাবনী বলেন, ইঁদুরের গর্তে সাপ ও বিষাক্ত পোকামাকড় থাকতে পারে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সতর্ক ও নিরাপদ না থাকলে বিপদ হতে পারে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com