1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

ইকবালের ডেডবডি ছবির নায়িকা কলকাতার অ্যানী

সিনিয়র প্রতিবেদকঃ-
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের মানুষ তাড়াতাড়ি আপন করে নেয়। বাংলাদেশের সাথে আমার আত্বীয়তার রিলেশন রয়েছে। এখান খাবারও আমার প্রিয়৷ আমি জ্বাল পছন্দ করি। স্পাইসি খাবার আমার ভালো লাগে। আমি বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছি। এতে আমি খুবই খুশি। এমনভাবেই তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন কলকাতার মডেল ও অভিনেত্রী অন্বেষা রায়। তবে তিনি এ্যানী নামে পরিচিত।

২০১৭ সাল থেকে তিনি কলকাতার টেলিভিশন ও বিভিন্ম পণ্যের ফটোশুটে মডেল হিসেবে কাজ করছেন।

অন্বেষা রায় বাংলাদেশের নতুন চলচ্চিত্র ‘ডেডবডি’তে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন৷ ৮ অক্টোবর (রোববার) দুপুরে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন। সন্ধ্যায় এফডিসিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি উপস্থিত হন।

আলাপকালে অন্বেষা রায় বলেন, আমি খুবই হ্যাপী।বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছি। আমি এনজয় করছি। কারণ আমার পূর্বপুরুষদের বাড়ি বাংলাদেশের যশোরে। এই দেশের সাথে আমার কানেকশন রয়েছে। অন্বেষা বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে আমি আমার দাদা ও নানাবাড়িতে অনেক গল্প শুনেছি। আজ আমি এদেশের ছবিতে অভিনয় করব তা আমাকে অনেক আনন্দ দিচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে অন্বেষা রায় বলেন, বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করব তা নিয়ে অনেক বছর ধরেই কথা হচ্ছিল। ছবির পরিচালক মোঃ ইকবাল ভাইয়ের সাথে কথা চলছিলো। তার সাথে আমার কলকাতার এক প্রোডাকশন হাউজে পরিচয় হয়৷ ওখান থেকে আলাপ শুরু। আজ তার পরিচালিত নতুন ছবিতে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছি।

অন্বেষা রায় বলেন, সবে তো শুরু। আমার বাংলাদেশের ছবিতে অনেক কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। ‘ডেডবডি’ ছবিতে আগে কাজ করে নিই। ছবিটি মুক্তি পেলে বাংলাদেশের অডিয়েন্স কীভাবে আমাকে গ্রহণ করছে তার ওপর সব নির্ভর করে। কলকাতা ও ঢাকায় আমি সমানতালেই কাজ করতে চাই।

আরেক প্রশ্নের জবাবে অন্বেষা রায় বলেন, প্রিয়তমার নায়িকা ইধিকার সাথে আমার জানাশোনা রয়েছে। কারণ বেশ আগে আমি ইধিকার সাথে একটি সিরিয়ালে অভিনয় করছি। তবে ঋতুপর্ণাদির সাথে আমার জানাশোনা নেই। কথা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘ডেডবডি’ আমার প্রথম কাজ। দুই বাংলা, দুই জায়গায়ই আমার কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। আগামীই বলে দিবে সব। তিনি জানান, আগেও বাংলাদেশে এসেছিলাম। এদেশের মানুষেরা তাড়াতাড়ি আপন করে নেন। তাদের আতিথেয়তা কোন জুড়ি নেই।

এদিকে, পরিচালক মো ইকবাল জানান, ১০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে ১০ দিন টানা শুটিং চলবে। বান্দরবনের বিভিন্ন লোকেশনে ছবির শুটিং চলবে। ‘ডেডবডি’ ছবিতে অন্বেষা রায়ের নায়ক হচ্ছেন রোশান। একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করবেন টিভির জনপ্রিয় অভিনেতা শ্যামল মাওলা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com