1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

একজন দক্ষ ও জনবান্ধব সরকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের এডিসি শফিকুল ইসলাম

Arif Robbani
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ৯৭০ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সৎ সাহসীবান দায়িত্বশীল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পদে দক্ষতা ও সনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায় তিনি টাঙ্গাইল  জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব হিসেবে সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে তার উর্ধতন কর্মকর্তাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।
এমন একজন জনবান্ধব ও মেধাবী কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় জনগন আনন্দিত হয়। কেননা এই সৎ সাহসী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব পালনকালে তার নজরে আসা ঘটে যাওয়া ঘটনা তাৎক্ষনিক আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেন।এছাড়া জেলা প্রশাসনের যে কোন সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে নিয়ে কাজ করেন।অফিস সময়ের বাহিরেও তিনি জনগনের কাংখিত সেবা নিশ্চিত করতে দিন রাত এক করে ঘাম ঝরা পরিশ্রম করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন টাঙ্গাইল  জেলা প্রশাসকের সুনাম।কখনো তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন হিসেবেও দেখা যায় সেখানেও তিনি থেমে থাকেন না,  রাজস্ব খাতকে বৃদ্ধি করতে তার নিয়মিত পরিদর্শন সহ কাজের অগ্রগতি দেখার মত।
সুশাসন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ টাঙ্গাইল জেলা গড়তে ডিসির নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনায় রাজস্ব আদায়ে মাইলফলক তৈরী করছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। টাঙ্গাইল জেলাকে একটি উন্নয়নশীল স্মার্ট নগরে রূপান্তরিত করতে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। একই সাথে জেলা প্রশাসনকে দুর্নীতি মুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে নিরলস ভূমিকা রয়েছে তার। তিনি টাঙ্গাইলে যোগদানের পর থেকেই জেলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের প্রতিটি উদ্যোগকে নিজের কাঁধে নিয়ে ঘুষ, মাদক ও দুর্নীতি ভেজাল বিরোধী ও সরকারী সম্পদ আত্মসাৎ কারী,এবং ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন তিনি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারের দেওয়া দায়িত্বের প্রতি আমার দুর্বলতা রয়েছে। আমার ইচ্ছা জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলা। সরকারের দেয়া নির্দেশনা গুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে চলেছেন টাঙ্গাইলের জনবান্ধব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম । যেকোন পরিস্থিতিতে দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করাই যেন তার শিক্ষা।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আরো বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ আমি সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। হতদরিদ্র, অসচ্ছল, অসহায় মানুষের জন্য সরকারের সকল সেবা যথাযথভাবে স্বচ্ছতা সাথে দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনায় সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর রাজস্ব আদায়ে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নেতৃত্বে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত টাঙ্গাইল গড়তে চাই; এতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তিনি আশা করছেন, একদিন টাঙ্গাইল জেলা হবে সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার রোল মডেল । এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে ভেজাল বিরোধী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোট পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
 টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের মাঝে আলোচনা চলছে এডিসি শফিকুল ইসলাম  তার দায়িত্ব পালনে খুবই আন্তরিক। তিনি জনগণের সাথে মানবিক আচরণ করেন। বর্তমান জেলা প্রশাসক  মহোদয়  তার সু-যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হিসেবে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কে দায়িত্ব প্রদান করায় জনগন তার ভূয়সী প্রশংসা করছেন। এডিসি রাজস্ব শফিকুল ইসলাম তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সেবার মান আরো এগিয়ে নিবেন এমনটাই  প্রত্যাশা টাঙ্গাইলের জনগনের।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com