1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগরে আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে – বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত।

নাইম বিশ্বাস
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

​বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত ঐতিহ্য ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈশাখী শোভাযাত্রা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়।
আজ ​মঙ্গলবার ২০২৬ (ইংরেজি), ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ । আলাউদ্দিন নগর শিক্ষা পল্লী প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব আলাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে র‍্যালিটি এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।শোভাযাত্রায় ফাউন্ডেশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
অংশগ্রহণকারীদের পরনে ছিল বৈশাখী সাজ—নারীদের লাল-সাদা শাড়ি এবং পুরুষদের পাঞ্জাবি। হাতে ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক কুলা, ডালা ও লোকজ বাদ্যযন্ত্র।শোভাযাত্রার অংশ হিসাবে ছিলো পালকি, সাথে আরো ছিলো বিভিন্ন সাজসজ্জায় সাজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি ও মহিষের গাড়ি।
​শোভাযাত্রা শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাঙালির আত্মপরিচয় সমুন্নত রাখতে পহেলা বৈশাখের গুরুত্ব অপরিসীম। আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন কেবল শিক্ষা ও সমাজসেবায় নয়, দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষাতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

​”নতুন প্রজন্মকে বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আমরা যেন একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারি, এটাই আজকের প্রার্থনা।”
— আলাউদ্দিন আহমেদ (প্রতিষ্ঠাতা, আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন)

​শোভাযাত্রা পরবর্তী সময়ে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে পল্লিগীতি, লালন গীতি ও লোকজ নৃত্যের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করা হবে।
​দিনব্যাপী এই আয়োজনে মেলা ও নানাবিধ দেশীয় খেলাধুলার ব্যবস্থাও থাকবে, যা পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com