1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

কেএমপি কমিশনারের পদত্যাগের আন্দোলনের সাথে জুলাই বিপ্লবের কোনো সংগঠনযুক্ত নয়: রেড জুলাই

সাকির আল মাহমুদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ৫২৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই, এমনটাই দাবি করেছেন সংগঠনগুলোর একটি অংশ রেড জুলাই। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান রেড জুলাই সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল শাফিল। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এসআই সুকান্তকে গ্রেফতারের দাবিকে কেন্দ্র করে। কাউকে টিকিয়ে রাখা বা নামানোর উদ্দেশ্যে এ আন্দোলন শুরু হয়নি। কিন্তু বর্তমানে গুটিকয়েক সহযোদ্ধাকে ব্যবহার করে একটি বিশেষ মহল আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাইছে। শাফিল আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম। কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে যদি আন্দোলনের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, তবে তা প্রতিহত করা হবে। আমরা জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা হিসেবে এর দায়ভার নেব না। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে জুলাই মাসজুড়ে ৩৬ দিনের কর্মপরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়। এর আগে, গত ২৫ জুন এসআই সুকান্তকে গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ের সামনে ছাত্র-জনতা ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। পরে সেই আন্দোলন এক দফা দাবি পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগে রূপ নেয়। ২৯ জুন একই ব্যানারে জেলা প্রশাসকের পদত্যাগের দাবিও জানানো হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com