1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল ককরোচরা দিল্লি হাইকোর্টকেও বিপদে ফেলল সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ জেন-জি আন্দোলনের মধ্যে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ককরোচ জনতা পার্টির এবং কৃষকদের আন্দোলনের ধাক্কায় চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি সরকার কলকাতায় মমতার ‘শহীদ দিবস’ মঞ্চে ভাঙচুর, বিভক্ত কংগ্রেসের আলাদাভাবে পালনের উদ্যোগ জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিওটি আসল : রিউমর স্ক্যানার স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক বিশ্বকাপ জিতেও মেসির জন্য কাঁদল কুবারসির মন

গঙ্গাচড়ায় ইউএনওর উপস্থিতিতে হট্টগোল, একদিন পর থানায় সাধারণ ডায়েরি

মোঃআখতারুজ্জামান 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসককে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনা ও বিক্ষোভের ঘটনায় এবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। যদিও ঘটনার সময় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টিকে বড় কোনো ঘটনা হিসেবে স্বীকার করেননি, তবে ঘটনার একদিন পর বুধবার (১০ জুন) রাতে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় একটি জিডি দায়ের করা হয়েছে।
জিডিটি করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়ন।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে প্রশাসককে লক্ষ্য করে একদল উত্তেজিত ব্যক্তি বিক্ষোভ, স্লোগান ও গালিগালাজ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রায় ২০ জনের একটি দল প্রশাসকের দায়িত্ব প্রত্যাহারের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নেয় এবং চেয়ারম্যানের কক্ষের সামনে গিয়ে দরজায় আঘাত ও লাথি মারে।
ঘটনার সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজানুর রহমান, প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়ন এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য খোরশেদ আলম জানান, কর্মকর্তারা যে কক্ষে অবস্থান করছিলেন, বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা সেই কক্ষের সামনে গিয়ে উচ্চস্বরে গালিগালাজ ও হট্টগোল করেন। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতার কয়েকজন প্রশাসক ভেবে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজানুর রহমানের দিকে এগিয়ে যান। পরে তিনি প্রশাসক নন বুঝতে পেরে সরে যান বলে জানান রেজানুর রহমান।
তবে ঘটনার পরদিন জিডি দায়েরের বিষয়টি সামনে আসায় ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়ন বলেন,
“আমি গত ৫ জুন প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে আবেদন করেছি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্যানেল চেয়ারম্যানের পদকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যদের দুই গ্রুপের মধ্যে বিভক্তি তৈরি হয়। মূলত সেই গ্রুপিংয়ের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমি মনে করি।”
ঘটনার দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেছিলেন, বাইরে কিছু ব্যক্তি চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন, তবে তারা কর্মকর্তাদের কক্ষে প্রবেশ করেননি। একই ধরনের বক্তব্য দেন প্রশাসক আফতাবুজ্জামান চয়নও।
জানা গেছে, ওই দিন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন এবং উপজেলা তথ্য আপা আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আলমবিদিতর ইউনিয়নে গিয়েছিলেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বাইরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
গঙ্গাচড়া মডেল থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির বিষয়টি গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর
নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও প্যানেল চেয়ারম্যান পদকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ ভবিষ্যতে আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com