1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

ঠাকুরগাঁওয়ে এ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩

জামিল হাসান জামিল
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বড় খোচাবাড়ি ২৮ মাইল নামক এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ এ। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল চালক রাসেল রানা নিহত হন। আহত পাঁচজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৯ মার্চ) মারা যায় অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী সুমিত্রা রায় এবং রোববার (১০ মার্চ) ভোরে মারা যান মোটরসাইকেল আরোহী ফিরোজ হোসেন। সকালে ফিরোজের লাশ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হলে এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

শুক্রবার (৮ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলার বড় খোচাবাড়ি ২৯ মাইল এলাকায় এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটে৷ নিহত রাসেল রানা সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে, নিহত ফিরোজ হোসেন একই গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে এবং নিহত অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী সুমিত্রা রায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের শচীন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী বলে তথ্য পাওয়া যায়।

ফিরোজের মা ফিরোজা বেগম বলেন বাড়ি থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে কিছু টাকা নিয়েছিল বাবার কাছ থেকে। সেই যে গেলো বাড়ি থেকে এখন লাশ হয়ে ফিরে এলো বাড়িতে এ বলে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তিনি। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা বেলাল হোসেন। একমাত্র সন্তানের মৃত্যুতে বাবা-মায়ের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠেছে পরিবেশ। তাদের শান্তনা দিতে গিয়ে কাঁদছেন প্রতিবেশীরাও।

তিন দিন আগে ছেলেকে হারিয়ে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন রাসেলের মা লায়লা বেগমও। লায়লা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ওরা দুই বন্ধু তো পাশাপাশিই শুয়ে রইলো ‘আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব।

প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন বলেন, রোববার স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে ফিরোজ হোসেনকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দুই বন্ধুকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বোদা হাইওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলম বলেন, অ্যাম্বুলেন্স এর চাকা ফেটে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দিলে দুটোই রাস্তার পাশে উল্টে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয় এবং পরবর্তীতে আরো দুজন সহ মোট তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com