1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

দক্ষিণ মহাসাগরে ৩০টিরও বেশি নতুন সামুদ্রিক প্রজাতি আবিষ্কার

মফিজুল হক (তানভীর)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯৫ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী সমুদ্রতল থেকে ৩০টিরও বেশি অজানা সামুদ্রিক প্রজাতি আবিষ্কার করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মাংসাশী “ডেথ বল” স্পঞ্জ, জোম্বি ওয়ার্ম এবং এক কিশোর বিশাল স্কুইড—যা পৃথিবীর অজানা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
দক্ষিণ মহাসাগরে পরিচালিত এ অভিযানে Nippon Foundation–Nekton Ocean Census, Schmidt Ocean Institute, Universidad de Magallanes-সহ একাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তারা প্রায় ২,০০০-এর বেশি জৈবিক নমুনা সংগ্রহ করে এবং এর মধ্যে ৩০টিরও বেশি প্রজাতিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে নতুন হিসেবে চিহ্নিত করে।
গবেষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় আবিষ্কারগুলোর একটি হলো মাংসাশী “ডেথ বল” স্পঞ্জ। সাধারণ স্পঞ্জ যেখানে পানি ছেঁকে খাবার গ্রহণ করে, সেখানে এই নতুন প্রজাতিটি ক্ষুদ্র হুক ব্যবহার করে শিকার ধরে খায়—যা বিজ্ঞানীদের জন্যও বিস্ময়কর।
এছাড়া পাওয়া গেছে রহস্যময় “জোম্বি ওয়ার্ম”—যাদের মুখ নেই, দাঁত নেই। এরা বড় প্রাণীর হাড়ে থাকা চর্বি ভেঙে খেতে সহায়ক ব্যাকটেরিয়ার ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। আবিষ্কৃত অন্যান্য প্রজাতির মধ্যে রয়েছে উজ্জ্বল স্কেল কৃমি, কালো প্রবাল এবং নতুন ধরনের সি-স্টার।
সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্য ছিল একটি কিশোর colossal squid-এর ভিডিও ধারণ। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই প্রজাতিটি পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় দৈর্ঘ্যে ৪৫ ফুটেরও বেশি এবং ওজনে হাজার পাউন্ডের বেশি হতে পারে—যা সমুদ্র জীববিজ্ঞানে একটি বিরল ডকুমেন্টেশন।
দলটি দক্ষিণ স্যান্ডউইচ ট্রেঞ্চ, সমুদ্রতলের আগ্নেয়গিরির ক্যালডেরা এবং গভীর সমুদ্রের বিভিন্ন বাসস্থান অনুসন্ধান করে। পৃথিবীর গভীর সমুদ্রের ৯৯% এরও বেশি এখনও অনাবিষ্কৃত হওয়ায় এসব আবিষ্কার সামুদ্রিক গবেষণায় বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গবেষকদের মতে, এই নতুন প্রজাতিগুলো পৃথিবীর চরম পরিবেশে জীবনের অভিযোজন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন ও মানব কার্যক্রমের প্রভাবে যখন সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান হুমকির মুখে, তখন এই আবিষ্কার ভবিষ্যৎ সংরক্ষণ কৌশল নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে। সংগৃহীত নমুনা ও প্রজাতি শনাক্তকরণের কাজ আরও কয়েক বছর ধরে চলবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com