1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

দিল্লির হাসপাতালে মরণোত্তর অঙ্গ দানে হাত ফিরে পেলেন এক ভারতীয়

মোঃ মুন্না হোসেন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
বিবিসি বাংলা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বরাতে জানা যায় দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের  রাজকুমারের সার্জারি সম্পন্ন হয়।
মৃত্যুর পর অঙ্গ দানের অঙ্গীকার করেছিলেন ভারতের রাজধানী দিল্লির বাসিন্দা মীনা মেহতা।এখন তার দান করা হাত ফিরিয়ে দিয়েছে দিল্লির বাসিন্দা রাজকুমার ও তার পরিবারের জীবন।
এর ফলে সাড়ে তিন বছরের ক্রমাগত লড়াইয়ের পর আরও একবার রাজকুমার হাতে তুলে নিতে পারবেন রঙ এবং ব্রাশ। রেল দুর্ঘটনায় দুই হাত হারানোর আগে তিনি রঙের কাজই করতেন।
দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা সফল ভাবে অঙ্গদাত্রী মীনা মেহতার হাত প্রতিস্থাপন করেন রাজকুমারের দেহে।
রাজকুমার বলেন, “হাত খোয়ানোর পর ভাবতে পারিনি আবার দুই হাত ফিরে পাব। অঙ্গদাত্রী মীনা মেহতা ও তার পরিবারের কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ হয়ে থাকব। চিকিৎসকদের কাছে আমি ঋণী!” কথা বলার সময় আবেগে গলা ধরে আসছিল তার।
অঙ্গদাত্রী মীনা মেহতা দিল্লির একটি নামী স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলেন। মৃত্যুর পর যে তিনি অঙ্গ দান করতে চান, সে কথা আগেই জানিয়ে গিয়েছিলেন তার পরিবারকে।
তার ভাইপো জাভেদ মেহতা  বলেন, “মৃত্যুর পর আমার পিসির কোনও অঙ্গ যদি কারও জীবন ফেরাতে পারে তার চেয়ে ভাল আর কী হতে পারে!”
শুধু হাতই নয়, মৃত্যুর পর অন্যান্য অঙ্গও দান করে একাধিক প্রাণ বাঁচিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষিকা, যিনি ৬২ বছর বয়সে প্রয়াত হন।
এদিকে চিকিৎসরা জানিয়েছেন, রাজকুমার স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। ফিরতে পারবেন পুরনো পেশাতেও।
চিকিৎসক মহেশ মঙ্গল এবং নিখিল ঝুনঝুনওয়ালার নেতৃত্বে একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম এই বিরল ‘বাইল্যাটারাল হ্যান্ড ট্রান্সপ্লান্ট’টি করেন।
প্লাস্টিক অ্যান্ড কস্মেটিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক নিখিল ঝুনঝুনওয়ালা  বলেন, “দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে চলা অস্ত্রোপচারের পর আমরা সফলভাবে ডোনার মীনা মেহতার দেহ থেকে তার হাত রাজকুমারের দেহে প্রতিস্থাপন করি।”
বিশেষ ভাবে তৈরি একটি মেডিক্যাল টিম এই সফল অস্ত্রোপচার করেছে, যা উত্তর ভারতে নজিরবিহীন।
“বাইল্যাটারাল হ্যান্ড ট্রান্সপ্লান্ট কিন্তু সচরাচর দেখা যায় না। এই অস্ত্রোপচার সহজ নয়। চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে প্রায় ২০ জনের একটি দল ছিল এই অস্ত্রোপচারের সময়।”
“শেষ পর্যন্ত সফল ভাবে আমরা অঙ্গদাত্রীর হাত রাজকুমারের দেহে প্রতিস্থাপন করতে পেরেছি,” বলেছেন প্লাস্টিক অ্যান্ড কস্মেটিক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান মহেশ মঙ্গল।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রাজকুমারের এবার বাড়ি ফেরার পালা।
“রাজকুমার আজ (বৃহস্পতিবার) বাড়ি ফিরে যাবেন। সব কিছু ঠিক থাকলে আজ থেকে এক বা দেড় বছর পর আবার পেইন্টিং করতে পারবেন তিনি”, বলেছেন ওই চিকিৎসক।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com