1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

নন্দীগ্রামে বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ জনজীবন, হুমকির মুখে বোরো ধান

মোঃ রাকিব বাবু
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সেই সাথে হুমকির মুখে পড়েছে বোরো ধান।

জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বোরো ধান, কলকারখানা হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়াও বিদ্যুতের প্রতি নিয়ত চলছে লোডশেডিং। দশ মিনিট পর পর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ অসংখ্য বিদ্যুৎ বাল্ব ফিউজ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। সারা দিনে সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ থাকে হাতে কলমে গুনে তিন ঘন্টার মত। সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যায় আসে রাত নয়টায় ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। অপর দিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ফুসে উঠছে জনগনসহ সচেতন মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ও লোডশেডিং এর ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেলেও কতৃপক্ষ যেন নিরব। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বোরো ধানে পানি দিতে না পারায় বোরো ধান হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কৃষকরা অভিযোগ করে জানান, দিনে ৭ থেকে ৮ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করে।
তারা আরও জানান, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে আর আসার নাম নেই। গভীর রাতে বিদ্যুৎ গেলে সকাল হলেও বিদ্যুৎ আসেনা । কোনো কোনো দিন সারারাত বিদ্যুৎ আসে না। আমাদের রাত জেগে জমিতে পানি সেঁচ দিতে হয়। এদিকে চলছে রমজান মাস, যেখানে রোজাদাররা সারাদিন রোজা থেকে রাতে বিছানায় একটু স্বস্তির ঘুম ঘুমাইতে যাবে সেসময় শুরু হয় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। সৌর বিদ্যুৎ চালিত ফ্যান ঠিক করতে আসা উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল মোমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গরমের সিজন আসলেই শুরু হয় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। সকাল ৮টায় বিদ্যুৎ চলে যায় বিকাল ৪টা বাজে বিদ্যুৎ আসে। তাও আবার ঘন্টায় ১০ থেকে ১৫ বার যাওয়া আসা করে। আমি একটি সৌর বিদ্যুতের ফ্যান নষ্ট হয়ে গেছে তাই মেরামতের জন্য এনেছি। সন্ধ্যয় ছেলে মেয়েরা গরমের কারণে লেখাপড়া করতে পারছেনা। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি যাতে করে আমরা বিদ্যুতের ভেলকিবাজি থেকে একটু বাঁচি। অনেকেই আবার বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ার কারণে চুরি, ছিনতাই হওয়ার আশংকা করছেন।
এবিষয়ে উপজেলা বিদ্যুৎ ডিজিএম’র সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। বিদ্যুতের লোডশেডিং বন্ধের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছে এলাকাবাসী।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com