1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার প্রতিবাদে নবনির্বাচিত এমপির সংবাদ সম্মেলন

মোঃ আব্দুল গাফফার 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একতরফা সহিংসতা, হামলা-ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগ করেছেন। তিনি এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর দৃষ্টি আকর্ষণ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঈশ্বরদী পৌর শহরের ভেলুপাড়ায় নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল দাবি করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই ঈশ্বরদী-আটঘরিয়াসহ পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর দফায় দফায় হামলা, গুলিবর্ষণ, মারধর, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, লুটপাট এবং দখলবাজির ঘটনা ঘটছে। এমনকি জামায়াতের নারী কর্মীদের বোরকা ধরে টানা-হেঁচড়ার মাধ্যমে শ্লীলতাহানির অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, “স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা, নির্যাতন, হত্যা, গুম, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মতো ঘটনা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৪ আগস্ট ওই সরকারের পতন ঘটে। তখন আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব দলই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিল—এ দেশে আর অতীতের মতো অন্যায়-অত্যাচার চলতে দেওয়া হবে না। কিন্তু বিএনপি সেই অঙ্গীকার ভুলে গিয়ে এখন পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পুরনো ধারায় ফিরে গেছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে নবনির্বাচিত এই এমপি বলেন, “বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—তিনি যেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দলের নেতাকর্মীদের সংযত রাখার ব্যবস্থা নেন। আমি আশাবাদী, তিনি বিচক্ষণতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পাবনা জেলা জুড়ে সকল উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংস হামলার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান, জেলা তালিমুল কোরআন সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম রব্বানী খান জুবায়ের, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহসভাপতি হাফেজ আমিরুল ইসলাম, ঈশ্বরদী উপজেলা সেক্রেটারি মো. সাইদুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com