1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

পরাজয়ের জন্য রাসিক মেয়র লিটন দায়ী… ফজলে হোসেন বাদশা

হাফিজুর সাগর
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৯২ বার পড়া হয়েছে

ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী-২ (সদর) আসনে তাঁর পরাজয়ের জন্য রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে দায়ী করেছেন। গতকাল দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে ব্যবহার করে লিটন নৌকা ডোবাতে সবকিছু করেছেন নির্বাচনে তার এমন বিপর্যয়ের কারণ কি?  বাদশা বলেন, ‘রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মাঠ দখল করেছিল, তাই এমন ফলাফল ।’ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা সুনির্দিষ্ট ভাবে কাঁচি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে ভোটের মাঠে কাজ করেন।

 

সিটি কর্পোরেশনের সর্বোচ্চ ব্যক্তির নির্দেশে সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুবিধাভোগীর কার্ড আটকে রেখে কাঁচি প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেন । নির্বাচনের দিন ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিজস্ব বাহিনী প্রতিটি ওয়ার্ডে নৌকা প্রতীকের ভোটারদের চিহ্নিত করে তাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে নিরুৎসাহ করে। ক্রমাগত হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে ভোটের দিন ভোটাররা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসতে পারেননি। যার প্রভাব পড়েছে ভোট প্রদানের হারে। রাজশাহী-২ আসনে এ কারণেই ভোটের হার ছাব্বিশ শতাংশের কাছাকাছি। বাদশার অভিযোগ, নৌকা প্রতীক’কে হারাতে শুরু থেকে বিপুল পরিমান টাকা ছড়ানো হয়েছে। কে বা কারা টাকা ছড়িয়েছেন, সেটি প্রকাশ্য। রাজশাহীর মানুষ যাকে ঠিকভাবে চেনেও না, তাকে বিজয়ী করতে ভোট গ্রহণেও কারচুপি করা হয়েছে ।
বাদশা বলেন, নৌকার পক্ষে যারা মাঠে নেমেছিলেন, তাদের নানাভাবে সিটি কর্পোরেশন থেকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার  শুরু থেকেই সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্প সিডিসি’র কর্মীদের জোরপূর্বক কাঁচি প্রতীকের পক্ষে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সিডিসি টাউন ফেডারেশন, সিএইচডিএফ, ক্লাস্টার ও সিডিসি কর্মীদের সরকারি সুযোগ সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে এবং ক্ষেত্রবিশেষ প্রয়োজন মাফিক সুবিধা বন্ধের হুমকি দিয়ে কাঁচি প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে ভোট প্রদানেও বাধ্য করা হয়। অর্থাৎ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে পুরোপুরি কাঁচি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে এ নির্বাচন প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকার পক্ষে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদেরও এ নির্বাচনে পাশে পাওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু লিটনের সরাসরি ও প্রত্যক্ষ মদদে আওয়ামীলীগের বড় অংশ নৌকার বিপক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করেছে। আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নামে মাইকিং করে প্রকাশ্যে কাঁচি প্রতীকের জন্য ভোট চাওয়া হয়েছে । এ নিয়ে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক ফলাফলে।আওয়ামীলীগের স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণাও চালানো হয়েছে দাবি করে বাদশা বলেন, আমি এমপি হওয়ার পর থেকে সিটি কর্পোরেশনকে আর্থিকভাবে সহযোগীতা করেছি, স্কুল-কলেজের বহুতল ভবন নির্মাণে সরকারের সহযোগীতা এনে দিয়েছি। কিন্তু সেগুলো নিয়ে নেতিবাচক প্রচার চালিয়েছে আওয়ামী লীগের একটি অংশ। আমি কিছু করিনি, এমন প্রচারণা চালিয়ে আওয়ামী লীগের একাংশের লোকজন ভোটারদের বিভ্রান্ত করেছে।
ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, শুধু লিটনের লোকজনের নেতিবাচক প্রচার নয়, নৌকা ডোবাতে সদর আসনে মৌলবাদীদের বিপুল অর্থও ব্যবহার হয়েছে। রাজশাহী-২ (সদর)  নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী বলা হলেও শুরু থেকে আওয়ামী লীগের বড় অংশ যারা লিটনপন্থী হিসেবে পরিচিত তারা সঙ্গে ছিলেন না। জাসদও প্রার্থী দিয়েছিল। ফলে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেও বিপুল ভোটে হেরে গেছেন তিনি। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাঁচি প্রতীকের (স্বতন্ত্র) প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা ৫৪ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রডিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪৬৬ ভোট।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com