1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাজিতপুরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা পাইকগাছার ২ তরমুজ ব্যবসায়ী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত! সালিশি চুক্তি ভেঙে দ্বন্দ্ব তীব্র—লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ রায়গঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত ​নওগাঁর শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা: এক বিরামহীন পথচলার নাম প্রফেসর মুহম্মদ ওয়ালীউল ইসলাম ​​নওগাঁ শহর এখন যানজটের নগরী: ফুটপাত দখল আর অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ জনজীবন নাজিরপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, জনসচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচি নাজিরপুরে ডাকাত নিহতের ঘটনায় ডাকাত সর্দার গ্রেফতার থানায় গিয়ে নারী এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবক আটক! প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে : জামায়াত আমির

পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে, যমুনার চরাঞ্চল এর ভুট্টা চাষিরা

সাজেদুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এখন শুধুই ফসলের মাঠ। যতদূর চোখ যায় শুধু ভুট্টা গাছের পাতায় সবুজের সমারোহ। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে চলতি বছরে ভুট্টার বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখেছিলেন চাষিরা। তবে  কৃষকদের এমন স্বপ্ন ভঙ্গ করে দিচ্ছে আর্মিওয়ার্ম নামে এক জাতের ক্ষতিকারক পোকা। কীটনাশক ব্যবহার করেও ক্ষতিকর এ পোকা দমন করতে পারছেন না চাষিরা। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছে এখানকার ভুট্টা চাষিরা।
উপজেলার এই সকল চরাঞ্চল গুলো পরিদর্শক করে দেখা যায় গাবসারা ইউনিয়নের এর গাবসারা, কালিপুর, জয়পুর, রেহাইগাবসার, চন্ডীপুর, রুলীপাড়া, পুংলীপাড়াসহ অর্জুনা ও নিকরাইল ইউনিয়নের যমুনার চরের ভুট্টার জমিতে ভোর থেকে চরাঞ্চলের কৃষকেরা ভুট্টা গাছের পরিচর্যা করছেন কেউ কেউ পোকা দমন করার জন্য কীটনাশক দিচ্ছে।এদিকে পোকা দমনে উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনসহ সকল প্রকার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
চরাঞ্চলের ভুট্টা চাষি সিরাজ মিয়া বলেন, গত বছর আমি প্রায় ১৬ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছিলাম। ভুট্টার বাম্পার ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় এবছ প্রায় ২০ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। তবে হঠাৎ করে ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ ভুট্টা গাছের অনেক ক্ষতি হয়েছে। যার কারণে  ফলন নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত রয়েছি।
রুলীপাড়া গ্রামের ভুট্টা চাষি নাজিম উদ্দীন বলেন, ভুট্টা গাছ যখনি বেড়ে উঠতে শুরু করেছে ঠিক তখনি পোকার আক্রমণে গাছগুলো দুর্বল করে ফেলেছে। চলতি বছর আমরা ভুট্টার ভালো ফলন হবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। অতিরিক্ত পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারে অনেক ভুট্টা গাছ মরেও গিয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর যমুনা চরাঞ্চলসহ উপজেলায় ৩ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়। বাম্পার ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চলতি বছর আরও ৪০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে।
 ভূঞাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান বলেন, পোকার আক্রমণ নিয়ে চাষিদের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত ভুট্টার মাঠ পরিদর্শন সহ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছেন। সঠিক নিয়মে কীটশনাক ব্যবহারে পোকার উপদ্রব হ্রাস করা সম্ভব। এছাড়া ঘন কুয়াশার ও শৈত্য প্রবাহ আর কয়েকদিন থাকলে পোকার উপদ্রব এমনিতেই কমে যাবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com