1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

ফুটবলের দূর্নীতি রোধে ও উন্নয়নে কাজ করব-জামালপুরে ব্যারিস্টার সুমন

মুহাম্মদ বিপুল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
জামালপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম স্টেডিয়াম মাঠে জামালপুর পৌরসভা একাদশ ও ব্যারিস্টার সুমন একাডেমির মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪ টার দিকে খেলা শুরু হয়। খেলার শুরুর ১৫ মিনিটেই মধ্যেই জামালপুর পৌরসভা ফুটবল একাদশ গোল করে। খেলার প্রথমার্ধে ব্যারিস্টার সুমন মাঠে না নামলেও জামালপুর পৌরসভায় ফুটবল একাদশ গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামেন ব্যারিস্টার সুমন। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের মাথায় ব্যারিস্টার সুমন গোল করেন। এতো খেলা সমঝোতায় ফিরে আসে। ৬০ মিনিট এই ফুটবল খেলা হয়।
এদিকে খেলা দেখতে দুপুর থেকেই স্টেডিয়ামের চারপাশে দর্শকের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলা দেখতে আসা নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় দেখা যায়। খেলা শুরু হওয়ার আগে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, জামালপুর ফুটবলের জন্য একটি বিখ্যাত জায়গা। ফুটবল খেলায় জামালপুর বিখ্যাত। স্টেডিয়াম মাঠে অনেক মানুষের সমাগম হতে দেখেছি। আমার শখ ছিল জামালপুরে খেলতে আসার। এই ইচ্ছা পূরণে সহযোগিতা করেছেন মাননীয় মেয়র ছানু ভাই। আপনাদের হারাইতে বা জামালপুর কে হারাইতে আসিনি। অথবা জামালপুর জিতুক এটির জন্য আসিনি। আমরা দুই এলাকার মানুষ হবিগঞ্জ এবং জামালপুর, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি হোক এবং এই সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ফুটবলটা যদি এক ইঞ্চিও এগিয়ে যায়, তাহলে আমাদের আয়োজনটা সার্থক হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি ফুটবলের ব্যাপারে প্রতিবাদ করতেছি বহু আগে থেকে। প্রতিবাদ করতে করতে আমি এখন সংসদ সদস্য, আমি এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমানে কথা বলতে পারি। আমার বিশ্বাস ফুটবলের যে গণজাগরণ শুরু হয়েছে, দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। আমার যতটুকু সাধ্যের মধ্যে আছে সংসদ সদস্য হিসেবে শুধু আমার এলাকায় ফুটবলের জন্য নয়, বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নের জন্য কাজ করব।খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ ও জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানোয়ার হোসেন ছানু।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com