1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

বকশীগঞ্জে ফ্রি চক্ষু শিবির ও ছানি অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন!

শিহাব আরমান 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় মানবিক উদ্যোগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রোগ্রেস এনজিও।
উপজেলার নামাপাড়া শহীদ তিতুমীর মডেল মাদরাসায় গত ২৯ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এক ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প।
উক্ত ক্যাম্পে প্রায় তিন শতাধিক চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। চিকিৎসা শেষে বাছাই করে ৪৫ জন ছানি রোগী শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৩০ জন রোগীকে একই দিন জামালপুর ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল নিয়ে গিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। অপারেশনের পর থাকা-খাওয়া, চিকিৎসা ও সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ৩১ মার্চ তাদের সুস্থভাবে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
অপরদিকে, অবশিষ্ট ১৫ জন রোগীকেও ৩১ মার্চ ফ্রি ছানি অপারেশনের জন্য জামালপুর ইস্পাহানি ইসলামি চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রোগীদের যাতায়াত, থাকা, খাওয়া, ঔষধ, চিকিৎসা এবং লেন্সসহ সকল সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।
এই মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন বকশীগঞ্জের সুপরিচিত সকলের প্রিয় মুখ সমাজসেবক এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন। এছাড়াও সহযোগিতা করেন শহীদ তিতুমীর মডেল মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, বকশীগঞ্জ ছাত্র সংগঠনের সভাপতি রেজুয়ান, বুলবুল, শ্রমিক শাখার আবুল খায়েরসহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা।
চক্ষু ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন শহিদুল্লাহ খানসহ প্রোগ্রেস এনজিও’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এডভোকেট ইলিয়াস হোসাইন বলেন, “মানুষের সেবা করতে পারা আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো।” তিনি সকলকে সামাজিক ও মানবিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রোগ্রেস এনজিও ও ইস্পাহানি ইসলামি চক্ষু হাসপাতাল, জামালপুর শাখাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এই মহতী উদ্যোগ এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং দরিদ্র রোগীদের মাঝে নতুন করে আলোর আশা জাগিয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com