1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনের ৫টিতেই নৌকার জয়

ফাহিম মাহাদী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার ৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এই ৭টি সংসদীয় আসনের ৫ টিতেই জয় নৌকার। এছাড়াও বাকী দুটি আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের জয় হয়েছে।

বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বগুড়া-১ আসনে সাহাদারা মান্নান, বগুড়া-২ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে খাঁন মুহম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী, বগুড়া-৪ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন, বগুড়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে রাগেবুল আহসান রিপু, বগুড়া-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মজিবর রহমান মজনু, বগুড়া-৭ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু নির্বাচিত হয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাহাদারা মান্নান বেসরকারি ফলাফলে ভোট পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৪ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদি আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬৮৪ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল নিয়ে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৫২ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রীতক নিয়ে বিউটি বেগম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ২০৩ ভোট।
বগুড়া-৩ (আদমদিঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক নিয়ে খাঁন মুহম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী অজয় কুমার সরকার কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৮১৫ ভোট।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন পেয়েছেন ৪২ হাজার ৭৫৭ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীক নিয়ে ডা. জিয়াউল হক মোল্লা পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬১৮ ভোট।
বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মজিবর রহমান মজনু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৬ ভোট আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মিনার প্রতিক নিয়ে নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ১০৫ ভোট।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে রাগেবুল আহসান রিপু পেয়েছেন ৫৩ হাজার ২২৬ ভোট আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ২২ হাজার ৮৪০ ভোট।
বগুড়া-৭ (গাবতলী- শাজাহানপুর) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু পেয়েছেন ৯১ হাজার ০২৯ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এটিএম আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৬ হাজার ৮০১ ভোট।
বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা চলছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি আসনের ফলাফল বেসরকারিভাবে করা হয়েছে। জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বি করেন। মোট ২৮ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৪ জন তাদের ভোটার রয়েছেন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৯ জন ও পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৪ হাজার ৩০৯ ভোটার রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ২৬ জন। জেলার ৯৬৯ টি ভোট কেন্দ্রের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com