1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনের ৫টিতেই নৌকার জয়

ফাহিম মাহাদী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার ৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এই ৭টি সংসদীয় আসনের ৫ টিতেই জয় নৌকার। এছাড়াও বাকী দুটি আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের জয় হয়েছে।

বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বগুড়া-১ আসনে সাহাদারা মান্নান, বগুড়া-২ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে খাঁন মুহম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী, বগুড়া-৪ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন, বগুড়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে রাগেবুল আহসান রিপু, বগুড়া-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মজিবর রহমান মজনু, বগুড়া-৭ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু নির্বাচিত হয়েছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাহাদারা মান্নান বেসরকারি ফলাফলে ভোট পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৪ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদি আলম লিপি তবলা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬৮৪ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল নিয়ে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ভোট পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৫২ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রীতক নিয়ে বিউটি বেগম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ২০৩ ভোট।
বগুড়া-৩ (আদমদিঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক নিয়ে খাঁন মুহম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী অজয় কুমার সরকার কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৮১৫ ভোট।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন পেয়েছেন ৪২ হাজার ৭৫৭ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীক নিয়ে ডা. জিয়াউল হক মোল্লা পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬১৮ ভোট।
বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে মজিবর রহমান মজনু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৬ ভোট আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মিনার প্রতিক নিয়ে নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ১০৫ ভোট।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে রাগেবুল আহসান রিপু পেয়েছেন ৫৩ হাজার ২২৬ ভোট আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ২২ হাজার ৮৪০ ভোট।
বগুড়া-৭ (গাবতলী- শাজাহানপুর) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. মোস্তফা আলম নান্নু পেয়েছেন ৯১ হাজার ০২৯ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এটিএম আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৬ হাজার ৮০১ ভোট।
বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা চলছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি আসনের ফলাফল বেসরকারিভাবে করা হয়েছে। জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বি করেন। মোট ২৮ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৪ জন তাদের ভোটার রয়েছেন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৯ জন ও পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৪ হাজার ৩০৯ ভোটার রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ২৬ জন। জেলার ৯৬৯ টি ভোট কেন্দ্রের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com