1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের রামপালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালিত, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’: মোজতবা খামেনি কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যু কলাপাড়ার কুয়াকাটায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব মহাসাগর দিবস ২০২৬ পালিত ভাণ্ডারিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় তিন ফার্মেসিকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা বকশীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড! এনএসসি মনোনীত বিসিবির পরিচালক হলেন সরফরাজ আহমেদ সরফু এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়ে ‘বিপাকে’ আইনজীবী

বর্তমানে ডিভোর্সের কারণ

মিজান ফরাজী
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯০০ বার পড়া হয়েছে
প্রথমতঃ  আসে যদি ছেলে মেয়ের অমতে বিয়ে দেওয়া হলে। তারা তারপর সেটা মেনে নিতে পারে না বা মানিয়ে গুছিয়ে চলতে পারে না, কোথাও না কোথাও খুব সৃষ্টি হয় মনে ,এটার জন্য বাবা মা দায়ী থাকে । কারণ কখনোই ছেলে মেয়ের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া উচিত নয় ।
দ্বিতীয়তঃ সংসার করতে গেলে দুইজন দুইজনকে বোঝা দরকার দুজন দুজনের কাছে গুরুত্ব থাকা দরকার আর তাদের সম্মান করা দরকার। কিন্তু এখন এ জিনিসটা একদম কমে গেছে ।
তৃতীয়তঃ এখন মানুষজন সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি সময় দিচ্ছে নিজের প্রিয় মানুষদের থেকে , আর সোশ্যাল মিডিয়া দেখে অনেক কিছুই নিজের মনে এক্সপেক্টেশন তৈরি হচ্ছে যেগুলো হয়তো না পেলে কোথাও না কোথাও একটা সমস্যা সৃষ্টি করছে।
চতুর্থতঃ পরক্রিয়া কারণ মানুষের চাহিদা এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে নিজের পার্টনারকে অনেক সময় গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলা তারপর পরক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়া সংসারে অশান্তি শুরু হওয়া এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ ।
পঞ্চমতঃ এখন যোগ পরিবর্তন হয়েছে মেয়েরাও স্বাবলম্বী হতে শিখেছে, অনেক সময় কাজের দিকে মন দিতে গিয়ে সংসারকে সময় ঠিকভাবে দিতে না পারায় দুটোকে একসাথে ব্যালেন্স না করতে পারায় অনেক সময় এটাই কোথাও না কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি করছে।
ষষ্ঠতঃ কিছু মেয়ে ইনকাম করতে শিখে গেলে তখন নিজেরটাই ভাবে, তখন ভাবে যে আমি ইনকাম করছি মানে আমি সবকিছুই আমি বড় ,নিজেকে বড় মনে করা এটাও একটা বিচ্ছেদের কারণ।
সপ্তমত: ধৈর্য শক্তি কম থাকা যা এখনকার জেনারেশনে চলে এসেছে, একটু কোন সমস্যা হলেই সেখান থেকে মানুষজন বেরিয়ে আসতে চাই। নিজের মত বাঁচতে চাই, তাই সংসার করতে গেলে অবশ্যই ধৈর্য শক্তি থাকা দরকার।
অষ্টমত: পরিবার থেকে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা, অনেক সময় অনেক মেয়েকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, যা সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন একটা মেয়ে বাধ্য হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।
নবমত: অতিরিক্ত চাহিদা, অতিরিক্ত চাওয়া পাওয়া, স্বামী/ স্ত্রীর  আনুগত্য না থাকা, Self depend মনে করে নিজের ইচ্ছের মত যা ইচ্ছা তা করা, অন্যদের প্রাধান্য না দেওয়া।
ডিভোর্স হলে শুধুমাত্র যে দুজনের মধ্যে ডিভোর্স হয় না দুটো পরিবারের মধ্যে হয় তার সাথে যদি বাচ্চা থাকে তাহলে সবথেকে ক্ষতি হয় সেই বাচ্চাটার কারণ সে হয় মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com